গণভবনের ‘টার্গেট প্রোফাইল’: সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও পরিবারের ওপর নজরদারির দাবি
অনলাইন ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
গণভবন থেকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের ওপর নজরদারি ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও তার পরিবারের বিষয়ে একটি কথিত ‘টার্গেট প্রোফাইল’ ঘিরে। দাবি করা হচ্ছে, ৫ আগস্ট গণভবন থেকে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন নথির মধ্যে এ ধরনের একটি দলিল পাওয়া গেছে, যেখানে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ব্যক্তিগত, পারিবারিক, শিক্ষাগত ও রাজনৈতিক পরিচয়ের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষিত ছিল।
নথিতে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বাবা ফজলুল কাদের চৌধুরী, ভাই গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী, জামালউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও সাইফুদ্দিন কাদের চৌধুরী, স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী এবং সন্তানদের নামসহ বিভিন্ন তথ্য থাকার কথা বলা হয়েছে। নথিটির শিরোনাম ‘টার্গেট প্রোফাইল’ হওয়ায় এটিকে রাজনৈতিক নজরদারির একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
লেখাটিতে আরও দাবি করা হয়েছে, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর যুদ্ধাপরাধ মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় তার পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আগ্রহী কয়েকজন বিদেশি সাক্ষীর বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল। এ বিষয়ে তৎকালীন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি ‘সাইফার মেসেজে’ তাদের ভিসা না দেওয়ার নির্দেশ ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে এসব দাবির স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ যাচাই প্রয়োজন।
সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে এর আগেও বিভিন্ন বিতর্ক ও অভিযোগ উঠেছিল। বিশেষ করে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান নিজামুল হক নাসিমকে ঘিরে প্রকাশিত কথোপকথন, যেটি ‘স্কাইপ কেলেঙ্কারি’ নামে পরিচিত, তা বিচারপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় পর্যায়ে আলোচনা তৈরি করেছিল।
এ ছাড়া সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে ২০১৬ সালে অপহরণ ও দীর্ঘ সময় নিখোঁজ থাকার ঘটনাটিও লেখাটিতে তুলে ধরা হয়েছে। হুম্মাম পরবর্তীতে তার বন্দিত্ব ও নির্যাতনের বিষয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। তার দাবি অনুযায়ী, বাবার রাজনৈতিক পরিচয় ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।
সব মিলিয়ে, গণভবন থেকে উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা ‘টার্গেট প্রোফাইল’টি শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের ওপর রাষ্ট্রীয় নজরদারি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগকে নতুন করে সামনে এনেছে। তবে নথিটির উৎস, সত্যতা, কে এটি তৈরি করেছিল এবং এতে থাকা তথ্যের সঙ্গে পরবর্তী ঘটনাগুলোর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক-এসব বিষয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা জরুরি।
বর্তমানে গণভবনকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও ইতিহাস সংরক্ষণের অংশ হিসেবে জাদুঘরে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে প্রদর্শিত নথি ও বিভিন্ন উপকরণ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ব্যবহার এবং রাজনৈতিক নিপীড়নের অভিযোগ নিয়ে গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠতে পারে।
তিন দিনের রিমান্ড শেষে হাতে ক্যানুলা নিয়ে অসুস্থ অবস্থায় আয়াস
তিনদিনের রিমান্ড শেষে হাতে ক্যানুলা নিয়ে অসুস্থ অবস্থায় আয়াস খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে আদালতে উঠেছেন। তিনি এতটা অসুস্থ যে ঠিকমতো কথা বলতে পারছেন না। দুঃখের বিষয় হলো, আদালতের লিফট নাকি নষ্ট ছিল। সেজন্য প্রথম তলা থেকে অষ্টম তলা পর্যন্ত অসুস্থ শরীর নিয়ে হেঁটে উঠতে হয়েছে। পায়ে কোনো জুতা ছিল না। রিমান্ডের ভেতরেই ঢাকা
১৮ দিন আগে
১০ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়ে ইনুর আপিল
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।বুধবার (১৪ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আপিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ।এর আগে, একই মামলায় ইনুর ১০...
২০ দিন আগে
জিয়াউল আহসানের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার বাকি জবানবন্দি আজ
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের বাকি জবানবন্দি আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) গ্রহণ করা হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তার জবানবন্দি গ্রহণ করা...
২৮ দিন আগে
বিচারিক আদালতে দ্রুত রায় হাইকোর্টে থমকে রামিসা হত্যা মামলার শুনানি
দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দ্রুত বিচার সম্পন্ন হলেও হাইকোর্টে এসে থমকে গেছে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া। নিম্ন আদালতে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে বিচার শেষে মূল আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও এখনো হাইকোর্টে শুরু হয়নি মামলাটির ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি।রামিসা...
২৯ দিন আগে
