ছয় দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা ১১ দলের
অনলাইন ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যজোট। শনিবার রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে শুরু হওয়া লংমার্চ চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।
সমাপনী সমাবেশে জোটের নেতারা অভিযোগ করেন, সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা ও ওয়াদা ভঙ্গ করছে। তাদের দাবি, আগের ফ্যাসিস্ট সরকার যে পথে হেঁটেছিল, বর্তমান সরকারও সেই পথ অনুসরণ করছে। এখনই সতর্ক না হলে এই সরকারের পরিণতিও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মতো হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।
সাড়ে ১৪ ঘণ্টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ
শনিবার ভোর ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চ শুরু হয়। প্রায় সাড়ে ১৪ ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের প্রায় ২৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রমের পথে বিভিন্ন এলাকায় পাঁচটি পথসভা করেন জোটের নেতারা। এসব পথসভায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং লংমার্চের যানবাহনগুলো সুশৃঙ্খলভাবে চলাচল করায় নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি সময়ে বহরটি চট্টগ্রামে পৌঁছাতে সক্ষম হয়।
লংমার্চ ঘিরে কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সরকারের পক্ষ থেকেও কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার পরিবর্তে প্রয়োজনীয় পুলিশ প্রটোকল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
প্রায় ছয়শ গাড়ি নিয়ে যাত্রা
লংমার্চের আগে ১১-দলীয় জোট পাঁচ হাজার গাড়ি নিয়ে কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছিল। পরে সেই সংখ্যা কমিয়ে এক হাজার গাড়ি নিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার কথা জানানো হয়।
শেষ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচশ থেকে পৌনে ছয়শ গাড়ি ঢাকা থেকে যাত্রা করে মেঘনা টোল প্লাজা অতিক্রম করে বলে জানা গেছে। কুমিল্লা, ফেনীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে যুক্ত হওয়া গাড়ি মিলিয়ে চট্টগ্রামে প্রায় এক হাজার গাড়ি পৌঁছে থাকতে পারে বলে জোটের পক্ষ থেকে ধারণা করা হয়।
তারেক রহমানের হুঁশিয়ারি
লংমার্চের গাড়িবহর যখন চট্টগ্রামের সিটি গেটের কাছাকাছি, তখন ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিরোধী জোটের কর্মসূচির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করতে চাইলে দেশের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে প্রত্যেকের নিজ নিজ সীমার মধ্যে থাকা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিরোধী জোটের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর আগের স্বৈরাচারী সরকার ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রেখে যাওয়া সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছে। তবে এসব সমস্যাকে পুঁজি করে কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি বিভ্রান্তি ছড়িয়ে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা মেনে নেওয়া হবে না।
‘সংসদ-রাজপথ একাকার হয়ে যাবে’
লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম সংসদ ও রাজপথে আন্দোলন একসঙ্গে চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন।
তিনি বলেন, তারা এখনো সংসদে আছেন। তবে পরবর্তী অধিবেশনে যাবেন কি না, তা নিশ্চিত নয়। জনগণের অধিকার ও সমস্যার সমাধান যদি সংসদ থেকে না আসে, তাহলে এই সংসদ কোনো কাজে আসবে না।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, সংসদ-রাজপথ একাকার হয়ে যাবে।’
ডিসেম্বরের মধ্যে দাবি না মানলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
লংমার্চের পথসভা ও সমাপনী সমাবেশে জোটের নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন।
ফেনীর পথসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে ছয় দফা দাবি মেনে না নিলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে।
লালদীঘি ময়দানের সমাবেশে তিনি বলেন, তাদের আন্দোলন ‘ঈদের পরের আন্দোলন’ হবে না। প্রয়োজনের সময়ই রাজপথে নামতে হবে।
এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের চিড়া-মুড়ি নিয়ে ঢাকা অভিমুখে লংমার্চের প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দেন। লংমার্চে ‘গ্যাস দেয়, বিদ্যুৎ দেয়, নইলে গদি ছেড়ে দেয়’—এ ধরনের স্লোগানও শোনা যায়।
১১ দলের ছয় দফা দাবি
১১-দলীয় জোটের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গণহত্যার বিচার, জ্বালানি তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।
এর মধ্যে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিটি নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর গেজেটের মাধ্যমে আদেশ জারি করা হয়েছিল। ওই সনদে সংবিধানে বিভিন্ন ধরনের সংস্কারের প্রস্তাব রাখা হয়।
সংবিধান সংস্কার নিয়ে মূল বিরোধ
জুলাই সনদে সংবিধানের বিভিন্ন বিষয়ে পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। এর মধ্যে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, উচ্চকক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিত করা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিরোধী দলের অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন সংস্কারের কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া জাতীয় সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো, ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে নির্বাচনের সুযোগ, ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কার, জরুরি অবস্থায় মৌলিক অধিকার সুরক্ষা এবং সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে নতুন বিধান যুক্ত করার প্রস্তাবও রয়েছে।
সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মতপার্থক্য মূলত উচ্চকক্ষের আসন বণ্টন, সাংবিধানিক পদে নিয়োগে বিরোধী দলের সম্পৃক্ততা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে।
১৮০ দিনের সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন
জুলাই আদেশ অনুযায়ী, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের পর ১৮০ দিনের মধ্যে প্রস্তাবিত সংস্কার সম্পন্ন করার কথা ছিল। ইতোমধ্যে সেই সময়সীমা পার হয়ে গেছে।
বিরোধী দলের অভিযোগ, গণভোটে অনুমোদিত জুলাই আদেশ সরকার বাস্তবায়ন করছে না। অন্যদিকে সরকারি দল বিএনপির বক্তব্য, তারা জুলাই আদেশ পুরোপুরি মেনে নেয়নি; বরং কিছু আপত্তি রেখেই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে। তবে সংসদে গঠিত সংবিধান সংশোধন কমিটির মাধ্যমে যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছে সরকার।
তবে বিরোধী দল ওই সংবিধান সংশোধন কমিটিতে প্রতিনিধি দিতে রাজি নয়। ফলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
গণহত্যার বিচার ও জ্বালানি সংকট
১১ দলের দ্বিতীয় দাবি গণহত্যার বিচার। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কয়েকটি মামলার রায়ও হয়েছে। জোটের দাবি পূরণে সরকারকে বিচার কার্যক্রম আরও দ্রুত করার উদ্যোগ নিতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তৃতীয় দাবি জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন। জ্বালানি সংকটের পেছনে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি দেশের নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে দীর্ঘদিনের ঘাটতিকেও দায়ী করা হচ্ছে।
সরকার ইতোমধ্যে সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে বিরোধী জোটের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এসব উদ্যোগ আরও দ্রুত ও কার্যকর করা প্রয়োজন।
রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ার আশঙ্কা
দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং দলীয়করণ বন্ধের দাবিও রয়েছে ১১ দলের ছয় দফায়। এসব দাবি দীর্ঘদিন ধরেই দেশের রাজনৈতিক আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
বর্তমানে জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলমান থাকলেও বিরোধী জোট রাজপথে কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। সংসদে তাদের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন লংমার্চের মতো কর্মসূচি দেওয়া হচ্ছে—এ প্রশ্ন তুলেছেন সরকারি দলের কয়েকজন নেতা।
অন্যদিকে বিরোধী দলের নেতারা বলছেন, সংসদে জনগণের দাবি প্রতিফলিত না হলে রাজপথেই আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সমঝোতা হলে রাজনৈতিক উত্তাপ অনেকটাই কমতে পারে। এ জন্য সরকারকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি বিরোধী দলকেও বাস্তবতার আলোকে সমঝোতার পথে আসতে হবে।
তবে সরকার পতনের সময়সীমা নির্ধারণ করে রাজপথে ধারাবাহিক কর্মসূচির ঘোষণা রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে। ফলে সামনে সরকার ও বিরোধী দলের রাজনৈতিক কৌশল এবং পারস্পরিক সংলাপই দেশের স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
আমার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন শেখ সেলিম: শেখ হাসিনা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন দলটির সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন শেখ সেলিম সিনিয়র মোস্ট প্রেসিডিয়াম সদস্য। আমার অনুপস্থিতিতে তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।’ একই সঙ্গে...
২ ঘন্টা আগে
বাবা-মায়ের সম্পত্তি লিখে নিয়ে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানো আত্মাকে ভেঙে দেয়: রুমিন ফারহানা
পিতা-মাতার অবহেলা ও নির্যাতন বন্ধে পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। একই সঙ্গে বাবা-মায়ের সম্পত্তি জোরপূর্বক লিখে নিয়ে তাদের বৃদ্ধাশ্রমে ঠেলে দেওয়ার মতো ঘটনাকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও হৃদয়বিদারক বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।রোববার জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে পবিত্র কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত...
১৭ ঘন্টা আগে
‘দুর্বল আইনের অংশীদার হবো না’, মানবাধিকার কমিশন বিলের বিরোধিতায় সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুন করে অপেক্ষাকৃত দুর্বল আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে-এমন অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।রোববার জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল উত্থাপনের সময় এর বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দুর্বল আইন...
১৭ ঘন্টা আগে
‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল কোরআন-সুন্নাহর পরিপন্থী, পাস করা যাবে না’
‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল-২০২৬’ কোরআন-সুন্নাহর সুস্পষ্ট পরিপন্থী দাবি করে জাতীয় সংসদে বিলটি পাস না করার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নজিবুর রহমান মোমেন।রোববার রাতে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি সরকারের পূর্বের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিলটির বিষয়ে আপত্তি জানান।‘সরকার পূর্বের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে’নজিবুর রহমান বলেন,...
১৮ ঘন্টা আগে
