স্বাস্থ্য সেবা

বিদেশে চিকিৎসায় ১৫৪ জুলাই যোদ্ধার পেছনে ৩৮৭ কোটি টাকা

দ্যা সিটি সিগন্যাল ডেক্স

১ ঘন্টা আগে


বিদেশে চিকিৎসায় ১৫৪ জুলাই যোদ্ধার পেছনে ৩৮৭ কোটি টাকা

ছবি: সংগৃহীত


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের আবাসন নিশ্চিত করতে ২ হাজার ৩৬৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে শহীদ পরিবারের জন্য ৮০৪টি এবং জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ১ হাজার ৫৬০টি ফ্ল্যাট নির্মাণে প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

 

সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে গত ছয় মাসের কার্যক্রম এবং ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অগ্রগতিও তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, দৃষ্টিশক্তি হারানো ও স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণকারী জুলাই যোদ্ধাদের দেশে-বিদেশে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহত যোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, রাশিয়া ও তুরস্কে পাঠানো হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৫৪ জন জুলাই যোদ্ধার বিদেশে চিকিৎসায় ব্যয় হয়েছে ৩৮৭ কোটি ২২ লাখ ১১ হাজার ৯৩৩ টাকা।

বিদেশে চিকিৎসা, শহীদ পরিবারের সঞ্চয়পত্র, জুলাই যোদ্ধাদের এককালীন অনুদান এবং শহীদ পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের মাসিক ভাতা মিলিয়ে মোট ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৪৫ কোটি ৮২ লাখ ২০ হাজার ৩১২ টাকা।

এ ছাড়া জুলাই শহীদ পরিবার এবং স্থায়ীভাবে কর্মক্ষমতাহীন গুরুতর আহত জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ২৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।

শহীদ পরিবারকে ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন আইন, ২০২৬’-এর আওতায় শহীদ পরিবারকে এককালীন ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র এবং মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত ৮৪২ জন শহীদের নাম গেজেটভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৮১৩ জন শহীদের উত্তরাধিকারীদের সঞ্চয়পত্র ও মাসিক ভাতা দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৯টি পরিবারের ক্ষেত্রে ওয়ারিশগত জটিলতা ও অভিযোগ থাকায় তদন্ত চলছে।

অন্যদিকে গেজেটভুক্ত ১৪ হাজার ৩৬৮ জন জুলাই যোদ্ধার মধ্যে ১৩ হাজার ৫৩৬ জনকে মাসিক ভাতা দেওয়া হচ্ছে। ক-শ্রেণির যোদ্ধারা মাসে ২০ হাজার, খ-শ্রেণির ১৫ হাজার এবং গ-শ্রেণির যোদ্ধারা ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন।

ফের উন্মুক্ত জুলাই যোদ্ধা তালিকাভুক্তির সুযোগ

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে জুলাই যোদ্ধাদের তালিকা নিয়েও আলোচনা হয়। কমিটির সদস্যরা বলেন, আহত বা নিহত না হওয়া কিংবা প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণের অভাবে অনেক প্রকৃত অংশগ্রহণকারী তালিকাভুক্ত হতে পারেননি।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ও কমিটির সদস্য আহমেদ আযম খান জানান, দেশব্যাপী অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে পুনরায় আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই ও তালিকাভুক্তির কার্যক্রম উন্মুক্ত করা হয়েছে। প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের শনাক্ত করতে যথাযথ যাচাই-বাছাই করা হবে এবং অযোগ্য কেউ যাতে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে না পারেন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের নামে সরকারি স্থাপনার নামকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ আগস্ট পর্যন্ত ৭৮টি সরকারি স্থাপনার নাম জুলাই শহীদদের নামে করার তথ্য পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ২ হাজার ১০২টি বীরনিবাস নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। আরও ৩ হাজার বীরনিবাস নির্মাণের জন্য ৭ হাজার ৭০০ কোটি টাকা সম্ভাব্য ব্যয়ের একটি প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

বৈঠকে আরও জানানো হয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল প্রতিষ্ঠা করা হয়। আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও আবাসনের কার্যক্রমও চলছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট মোট ৪ হাজার ২৩৪টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৩৩৩টি রিট, ৩৬টি আপিল, ১৪টি রিভিউ, ৮৩টি কনটেম্পট ও ১৫৫টি দেওয়ানি মামলা রয়েছে। এসব মামলা নিষ্পত্তিতে কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

 

সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে গত ছয় মাসের কার্যক্রম এবং ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অগ্রগতিও তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, দৃষ্টিশক্তি হারানো ও স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণকারী জুলাই যোদ্ধাদের দেশে-বিদেশে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহত যোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, রাশিয়া ও তুরস্কে পাঠানো হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৫৪ জন জুলাই যোদ্ধার বিদেশে চিকিৎসায় ব্যয় হয়েছে ৩৮৭ কোটি ২২ লাখ ১১ হাজার ৯৩৩ টাকা।

বিদেশে চিকিৎসা, শহীদ পরিবারের সঞ্চয়পত্র, জুলাই যোদ্ধাদের এককালীন অনুদান এবং শহীদ পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের মাসিক ভাতা মিলিয়ে মোট ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৪৫ কোটি ৮২ লাখ ২০ হাজার ৩১২ টাকা।

এ ছাড়া জুলাই শহীদ পরিবার এবং স্থায়ীভাবে কর্মক্ষমতাহীন গুরুতর আহত জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ২৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।

শহীদ পরিবারকে ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন আইন, ২০২৬’-এর আওতায় শহীদ পরিবারকে এককালীন ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র এবং মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত ৮৪২ জন শহীদের নাম গেজেটভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৮১৩ জন শহীদের উত্তরাধিকারীদের সঞ্চয়পত্র ও মাসিক ভাতা দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৯টি পরিবারের ক্ষেত্রে ওয়ারিশগত জটিলতা ও অভিযোগ থাকায় তদন্ত চলছে।

অন্যদিকে গেজেটভুক্ত ১৪ হাজার ৩৬৮ জন জুলাই যোদ্ধার মধ্যে ১৩ হাজার ৫৩৬ জনকে মাসিক ভাতা দেওয়া হচ্ছে। ক-শ্রেণির যোদ্ধারা মাসে ২০ হাজার, খ-শ্রেণির ১৫ হাজার এবং গ-শ্রেণির যোদ্ধারা ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন।

ফের উন্মুক্ত জুলাই যোদ্ধা তালিকাভুক্তির সুযোগ

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে জুলাই যোদ্ধাদের তালিকা নিয়েও আলোচনা হয়। কমিটির সদস্যরা বলেন, আহত বা নিহত না হওয়া কিংবা প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণের অভাবে অনেক প্রকৃত অংশগ্রহণকারী তালিকাভুক্ত হতে পারেননি।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ও কমিটির সদস্য আহমেদ আযম খান জানান, দেশব্যাপী অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে পুনরায় আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই ও তালিকাভুক্তির কার্যক্রম উন্মুক্ত করা হয়েছে। প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের শনাক্ত করতে যথাযথ যাচাই-বাছাই করা হবে এবং অযোগ্য কেউ যাতে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে না পারেন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের নামে সরকারি স্থাপনার নামকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ আগস্ট পর্যন্ত ৭৮টি সরকারি স্থাপনার নাম জুলাই শহীদদের নামে করার তথ্য পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ২ হাজার ১০২টি বীরনিবাস নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। আরও ৩ হাজার বীরনিবাস নির্মাণের জন্য ৭ হাজার ৭০০ কোটি টাকা সম্ভাব্য ব্যয়ের একটি প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

বৈঠকে আরও জানানো হয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল প্রতিষ্ঠা করা হয়। আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও আবাসনের কার্যক্রমও চলছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট মোট ৪ হাজার ২৩৪টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৩৩৩টি রিট, ৩৬টি আপিল, ১৪টি রিভিউ, ৮৩টি কনটেম্পট ও ১৫৫টি দেওয়ানি মামলা রয়েছে। এসব মামলা নিষ্পত্তিতে কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।


হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্য বাজেট বাড়ানোর তাগিদ
হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্য বাজেট বাড়ানোর তাগিদ

দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৩৪ শতাংশের পেছনে হৃদ্‌যন্ত্র ও রক্তনালির রোগ বা কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ দায়ী। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো গেলে হৃদরোগজনিত অকালমৃত্যু কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সোমবার আয়োজিত ‘তরুণদের উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ ঝুঁকি মোকাবেলায় স্বাস্থ্য বাজেট: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত’ শীর্ষক ওয়েবিনারে...

১ দিন আগে


রাড্ডা সেন্টারের ভাঙা কক্ষেই চলছে টিকাদান ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম
রাড্ডা সেন্টারের ভাঙা কক্ষেই চলছে টিকাদান ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম

রাজধানীর মিরপুরে হামলা ও ভাঙচুরের শিকার রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের একটি ভাঙা কক্ষেই সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চলছে। তবে এখনো পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় শিশু, স্বজন ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কেন্দ্রটির একটি ভাঙা কক্ষে শিশুদের টিকাদান শুরু হয়। এর আগে শনিবার ও...

১ দিন আগে


ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৫৫
ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়েছে। এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ২১১ জন।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন...

৪ দিন আগে


চিকিৎসার অভাবে কেউ মারা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চিকিৎসার অভাবে কেউ মারা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চিকিৎসার অভাবে যাতে কোনো মানুষের প্রাণহানি না ঘটে, সে লক্ষ্যে বিদ্যমান সব সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যার হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ নির্দেশ...

৭ দিন আগে

Dr.Mahfuzul Alom