যশোর হাসপাতালে সিজারের সময় নবজাতকের মৃত্যু: তদন্তে চিকিৎসকের ত্রুটি মেলেনি
অনলাইন ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে সিজারের সময় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শেষ হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিজারের আগেই মায়ের গর্ভে নবজাতকের মৃত্যু হয়েছিল। প্রসূতির জীবন রক্ষার্থেই অস্ত্রোপচার করে মৃত সন্তানকে বের করা হয় এবং চিকিৎসকদের কোনো অবহেলা বা ত্রুটি পাওয়া যায়নি।
তবে অস্ত্রোপচারের আগে রোগী ও স্বজনদের যথাযথভাবে কাউন্সেলিং না করায় ভুল বোঝাবুঝি এবং পরবর্তী হট্টগোলের সৃষ্টি হয়েছে বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার তদন্ত প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ভোরে যশোর সদর উপজেলার হামিদপুর গ্রামের সাগর হাসানের স্ত্রী তাজমিরা (২০) প্রসববেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। ভর্তির সময় তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা যায়, তার গর্ভস্থ সন্তান আগেই মারা গেছে।
তদন্ত সূত্র জানায়, গর্ভে মৃত সন্তান থাকায় রক্তপাতের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। শিশুটির শরীরেও ফোসকা দেখা দিতে শুরু করে। এ অবস্থায় প্রসূতির জীবন রক্ষায় চিকিৎসকেরা দ্রুত অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন এবং সিজারের মাধ্যমে মৃত শিশুটিকে বের করে আনেন।
তবে অস্ত্রোপচারের আগে রোগী ও স্বজনদের গর্ভস্থ শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি যথাযথভাবে বুঝিয়ে বলা হয়নি। ফলে সিজারের পর ক্ষতবিক্ষত মৃত শিশুকে দেখে স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। চিকিৎসকেরা সিজারের সময় শিশুটিকে হত্যা করেছেন-এমন অভিযোগ তুলে তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করেন। এতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে উত্তেজনা ও হট্টগোল সৃষ্টি হয়।
পরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ড. হুসাইন শাফায়েত তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। যশোর মেডিকেল কলেজের গাইনি বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলামকে সভাপতি করে কমিটিতে সদস্য হিসেবে ছিলেন যশোরের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. নাজমুস সাদিক এবং শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুর রহমান।
কমিটি শনিবার থেকে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে সোমবার তা শেষ করে। তদন্তের অংশ হিসেবে একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স, রোগীর দুই বোন, একজন আয়াসহ মোট ১৫ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
তদন্তে স্বজনরা জানান, একজন আয়ার কাছ থেকে শিশুর অবস্থা খারাপ-এমন কথা শুনে তারা উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন। পরে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তারা জানতে পারেন, সিজারের আগেই শিশুটি মায়ের গর্ভে মারা গিয়েছিল।
সিজার পরিচালনা করেন গাইনি এফসিপিএস পার্ট-১-এর অনারারি চিকিৎসক ফাতেমা তুজ্জ জোহরা দিশা। অপারেশন থিয়েটারে উপস্থিত ছিলেন গাইনি কনসালটেন্ট ও সহকারী অধ্যাপক (ইনসিটু) ডা. আয়েশা আক্তার। তারা প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণসহ তদন্ত কমিটির কাছে বক্তব্য দেন।
তদন্ত কমিটির প্রধান ডা. মো. রবিউল ইসলাম ও সদস্য ডা. মো. মাহবুবুর রহমান জানান, প্রসূতি ও স্বজনদের অস্ত্রোপচারের আগে কাউন্সেলিং করার নিয়ম থাকলেও তা যথাযথভাবে করা হয়নি। এ কারণেই মূলত ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়।
তবে তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, প্রসূতির জীবন রক্ষার্থেই গর্ভের মৃত সন্তানকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বের করা হয়েছিল এবং চিকিৎসকদের কোনো অবহেলা বা চিকিৎসাগত ত্রুটি পাওয়া যায়নি।
শোক সংবাদ: যশোর বসুন্দিয়া মোড়ের বিশিষ্ট আলেম আব্দুস সাত্তার সাহেব আর নেই
শোক সংবাদঅত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, আমাদের সকলের প্রিয় হুজুর, বসুন্দিয়া মোড় হাফেজিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম এবং বসুন্দিয়া মোড় কেন্দ্রীয় মসজিদের সাবেক ইমাম ও খতিব জনাব আব্দুস সাত্তার সাহেব গতকাল রাত ১টা ৩০ মিনিটের সময় ইন্তেকাল করেছেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।মরহুমের নামাজে জানাজা আজ সকাল ১০টায় বসুন্দিয়া মোড় কেন্দ্রীয়
১ ঘন্টা আগে
সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আত্রাইয়ের ৭ জনের মরদেহ নিজ এলাকায়
সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সাত বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর নিজ এলাকায় নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লাশবাহী ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহগুলো আত্রাইয়ে পৌঁছে।এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৪টা ৫ মিনিটের দিকে বিমান বাংলাদেশ...
২ ঘন্টা আগে
নদীতে ঝাঁপ দেওয়া তরুণীকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার করলেন পুলিশ কনস্টেবল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা এক তরুণীকে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার করেছেন পুলিশ কনস্টেবল অমিত হাসান।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে শহরের শিমরাইলকান্দি এলাকার শেখ হাসিনা সড়কের প্রথম ব্রিজে এ ঘটনা ঘটে। পরে নদী থেকে উদ্ধারের পর ২৪ বছর বয়সী ওই তরুণীকে দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট...
২ দিন আগে
মদনে শিশু ধর্ষণ মামলায় ডিএনএ পরীক্ষায় অভিযুক্তের পিতৃত্বের প্রমাণ
নেত্রকোণার মদনে ১২ বছর বয়সী এক কওমি মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও গর্ভবতী করার মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষায় ভুক্তভোগীর জন্ম দেওয়া নবজাতকের সঙ্গে অভিযুক্তের ডিএনএ ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিলে গেছে।রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, ডিএনএ প্রতিবেদন হাতে আসায় মামলাটির তদন্ত প্রায় শেষ...
৩ দিন আগে
