গুম প্রতিরোধ দিবস: এখনো নিখোঁজ ২৫১ জন, স্বজনদের অপেক্ষার শেষ নেই
অনলাইন ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
আড়াই শতাধিক পরিবারের কান্না, অপেক্ষা আর অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে বছর ঘুরে আবারও এসেছে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ২৫১ জন। নিখোঁজ এসব নাগরিকের অনেকেরই আর ফিরে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মত দিয়েছে কমিশন। তবে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে।
গুম হয়ে যাওয়া স্বজনদের পরিবারের কাছে প্রতিটি দিনই যেন অনিশ্চয়তার। প্রিয় মানুষটি জীবিত আছেন কি না, কোথায় আছেন, তার ভাগ্যে কী ঘটেছে—কোনো প্রশ্নেরই উত্তর নেই তাদের কাছে। ফলে এসব পরিবার একই সঙ্গে শোক ও আশার মধ্যে আটকে আছে। প্রিয়জনের মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়ায় তারা যেমন স্বাভাবিকভাবে শোক পালন করতে পারছেন না, তেমনি ফিরে আসার আশাও পুরোপুরি ছাড়তে পারছেন না।
গুমের আতঙ্কে কেটেছে বছরের পর বছর
বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় ধরে গুম ও এর ভয়াবহ পরিণতির অভিজ্ঞতা রয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, বিরোধী মতের মানুষ, সমালোচক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিকে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ব্যবহার করে তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ পাওয়া গেছে। আবার অনেকেই বছরের পর বছর নিখোঁজ রয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন, বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়েছেন, সংবাদ সম্মেলন করেছেন এবং প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন। কিন্তু অনেক পরিবার আজও কোনো নিশ্চিত তথ্য পায়নি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশে তৃতীয়বারের মতো দিবসটি পালিত হচ্ছে। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর প্রোটেকশন অব অল পারসনস অ্যাগেইনস্ট এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স’ সম্মেলনে গৃহীত আন্তর্জাতিক সনদ কার্যকর হওয়ার পর ৩০ আগস্টকে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে গুমের অভিযোগ ও এর মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে। ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী কনভেনশনে যোগ দেয়। এর দুই দিন আগে, ২৭ আগস্ট, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গুমের অভিযোগ তদন্তে একটি কমিশন গঠন করা হয়।
গুমকে ‘মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ’ বলছে তদন্ত কমিশন
গুমসংক্রান্ত অনুসন্ধান কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী গুমকে ‘মৃত্যুর চেয়ে ভয়াবহ’ মানবতাবিরোধী ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তার মতে, কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে পরিবারের সদস্যরা অন্তত তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে পারেন এবং শোক প্রকাশের সুযোগ পান। কিন্তু গুমের ক্ষেত্রে পরিবার জানতেই পারে না প্রিয়জন কোথায় আছেন, তিনি বেঁচে আছেন কি না কিংবা তার সঙ্গে কী ঘটেছে।
ফলে গুমের শিকার ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা বছরের পর বছর অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবন কাটান। তাদের ওপর সামাজিক চাপের পাশাপাশি আর্থিক সংকটও তৈরি হয়। অনেক পরিবার এক ধরনের সামাজিক বিচ্ছিন্নতার মধ্যেও পড়ে যায়।
মঈনুল ইসলাম চৌধুরীর ভাষ্য অনুযায়ী, আগের সরকারের সময়ে গুম ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল। রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে গুমকে ব্যবহার করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ভুক্তভোগীদের অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করে এসব কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
গুম হওয়া ব্যক্তিদের সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে কমিশনের তথ্য
গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের অনুসন্ধানে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম হওয়া ব্যক্তিদের সম্ভাব্য চার ধরনের পরিণতির কথা উঠে এসেছে।
এর মধ্যে প্রথমটি হলো—ভুক্তভোগীকে তুলে নিয়ে হত্যা করে তার মরদেহ গুম করে দেওয়া। দ্বিতীয়ত, কাউকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো। তৃতীয়ত, সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাঠিয়ে সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া। চতুর্থত, বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিভিন্ন গোপন বন্দিশালা থেকে কয়েকজন নিখোঁজ ব্যক্তি মুক্ত হয়ে ফিরে আসেন। এসব বন্দিশালা পরিদর্শন করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ও তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে যারা এখনো ফিরে আসেননি, তাদের অনেকেরই আর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই বলে কমিশনের পক্ষ থেকে ধারণা করা হয়েছে।
বিচারের দাবি, তবে গতি নিয়ে হতাশা
গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন মহল থেকে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানানো হচ্ছে। গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজন ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো নিখোঁজদের সন্ধান এবং দায়ীদের বিচারের দাবি জানিয়েছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গঠিত ট্রাইব্যুনালে গুমসংক্রান্ত তিনটি মামলা রুজু হয়েছে। তবে মামলার চাপ বেশি থাকায় দীর্ঘ বিরতিতে শুনানির তারিখ পড়ছে বলে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ। এতে বিচারপ্রক্রিয়ার গতি নিয়ে হতাশা তৈরি হয়েছে।
পরিবারগুলোর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করার পরও তারা প্রিয়জনের বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাচ্ছেন না। তাই গুমের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত শেষ করে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
গুমের বিচার নিয়ে নতুন আইনেও বিতর্ক
গুমের বিচার নিয়ে স্থায়ী আইন প্রণয়ন নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। গুমের বিচারসংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা হলেও বর্তমান সরকার সেটি সংসদে অনুমোদন করেনি। পরে সরকার নিজেদের উদ্যোগে এ বিষয়ে নতুন একটি আইন সংসদে উত্থাপন করেছে।
তবে প্রস্তাবিত আইনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তের ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট বাহিনীর হাতে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী ও সাবেক গুম কমিশনের সদস্যরা প্রশ্ন তুলেছেন।
তাদের দাবি, গুমের মতো গুরুতর অভিযোগের তদন্ত অবশ্যই স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে হওয়া উচিত। সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হলে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।
গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সদস্য নাবিলা ইদ্রিসও প্রস্তাবিত আইনে স্বাধীন তদন্তের সুযোগ খর্ব হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তার মতে, এই দুর্বলতা দূর করতে আইনটি সংশোধন করা প্রয়োজন।
মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ও গুমের অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিবর্তে স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের হাতে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
একই সঙ্গে যেসব ব্যক্তি গুম হওয়ার পরও ফিরে আসেননি, তাদের স্ত্রী ও সন্তানরা যাতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গুম হওয়া ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি পরিচালনা বা হস্তান্তর করতে পারেন, সে ব্যবস্থারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
ইলিয়াস আলী: এক যুগের বেশি সময়েও সন্ধান মেলেনি
বাংলাদেশে আলোচিত গুমের ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্যতম বিএনপির তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা।
২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে গাড়িচালক আনসার আলীসহ ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হন। এরপর কেটে গেছে এক যুগেরও বেশি সময়। কিন্তু এখনো তার পরিবার নিশ্চিতভাবে জানতে পারেনি তার ভাগ্যে কী ঘটেছে।
ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা জানিয়েছেন, গুমসংক্রান্ত কমিশন অনুসন্ধান করেছে এবং ট্রাইব্যুনালেও বিষয়টি তদন্ত হয়েছে। তার স্বামীর অপহরণের সঙ্গে র্যাবের সদস্যদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি তদন্তে উঠে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, যারা এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং ইলিয়াস আলীর সঙ্গে প্রকৃতপক্ষে কী ঘটেছিল, সেটি জাতির সামনে প্রকাশ করতে হবে।
সাইফুল ইসলাম ও হুমায়ুন কবিরের পরিবারও অপেক্ষায়
২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর লাকসাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম হিরু এবং লাকসাম পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির পারভেজ নিখোঁজ হন।
এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তাদের পরিবারও অপেক্ষায় রয়েছে। তাদের সঙ্গে কী ঘটেছে, কোথায় আছেন কিংবা তারা বেঁচে আছেন কি না—কোনো প্রশ্নেরই নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।
পরিবারের সদস্যদের কাছে এখন সবচেয়ে বড় চাওয়া হলো—তাদের প্রিয়জনের প্রকৃত পরিণতি জানা। জীবিত থাকলে ফিরিয়ে আনা এবং না থাকলে অন্তত মরদেহ বা মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়ার দাবি তাদের।
ওয়ালিউল্লাহ ও আল-মোকাদ্দাসের অপেক্ষায় পরিবার
২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী ও ছাত্রশিবির নেতা ওয়ালিউল্লাহ ও আল-মোকাদ্দাস নিখোঁজ হন।
ঢাকা থেকে কুষ্টিয়াগামী হানিফ এন্টারপ্রাইজের একটি বাসে করে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে আশুলিয়ার নবীনগর এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচয়ে তাদের তুলে নেওয়া হয়েছিল বলে পরিবার ও সংশ্লিষ্টদের দাবি। তবে পুলিশ সে সময় তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি অস্বীকার করে।
এরপর বছরের পর বছর কেটে গেলেও তাদের আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কয়েকজন গুম হওয়া ব্যক্তি গোপন বন্দিশালা থেকে ফিরে আসায় তাদের পরিবারও আশাবাদী হয়েছিল—হয়তো একদিন ওয়ালিউল্লাহ ও আল-মোকাদ্দাসও ফিরে আসবেন।
কিন্তু সেই অপেক্ষারও এখনো অবসান হয়নি।
মোকাদ্দাসের ছোট ভাই মুকাররম জারির জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আব্দুল্লাহিল আমান আল-আযমী ও ব্যারিস্টার আরমানের মতো গুম হওয়া কয়েকজন ফিরে আসার পর তাদের পরিবারও আশায় বুক বেঁধেছিল। কিন্তু সেই আশা এখনো পূরণ হয়নি।
পরিবারগুলোর অপেক্ষার শেষ কোথায়?
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস প্রতিবছর ফিরে আসে। দিবসটি ঘিরে আলোচনা হয়, মানবাধিকার সংগঠনগুলো কর্মসূচি পালন করে, নিখোঁজদের স্বজনরা প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার দাবি জানান। কিন্তু যাদের স্বজন বছরের পর বছর ধরে নিখোঁজ, তাদের জীবনের অপেক্ষা শেষ হয় না।
কেউ জানেন না নিখোঁজ ২৫১ জনের মধ্যে কতজন জীবিত, কতজন আর কখনো ফিরবেন না। অনেক পরিবারের কাছে তাই একটি প্রশ্নই সবচেয়ে বড়—প্রিয় মানুষটির সঙ্গে আসলে কী ঘটেছিল?
এই প্রশ্নের উত্তর নিশ্চিত করা, নিখোঁজদের সন্ধান করা, দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটানোই এখন সবচেয়ে বড় দাবি। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে সেই দাবিই আবারও সামনে এসেছে।
গুমের শিকারদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবি রিজভীর
গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে গুমের শিকার বিশ্বের সব ব্যক্তি, তাদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সংহতি জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।শনিবার (২৯ আগস্ট) এক বাণীতে তিনি বাংলাদেশের বিগত বছরগুলোতে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের সময়ে গুমের শিকার প্রত্যেক ব্যক্তিকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে...
১৪ মিনিট আগে
দুবাই থেকে কারামুক্তির পর সেন্ট লুসিয়ায় পাড়ি জমিয়েছেন বেনজীর আহমেদ
দুবাইয়ের আদালত থেকে জামিনে মুক্তির পর মানবতাবিরোধী অপরাধসহ বিভিন্ন মামলার আসামি ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র সেন্ট লুসিয়ায় পাড়ি জমিয়েছেন বলে জানা গেছে। গত ১৭ আগস্ট তিনি দুবাই থেকে সেন্ট লুসিয়ায় যান। দেশটির পাসপোর্ট ও সেখানে যৌথ বিনিয়োগের পাশাপাশি গ্রোস আইসলেট এলাকায় তার একটি ফ্ল্যাট রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট...
২ ঘন্টা আগে
লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের নতুন ‘স্পেশাল’ ইউনিট
রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে পুলিশের নতুন একটি ‘স্পেশাল’ ইউনিট গঠন করা হয়েছে। শিগগিরই দেশব্যাপী অভিযানে নামবে নবগঠিত এই বিশেষ ইউনিট। একইসঙ্গে অস্ত্রের তথ্য প্রদানকারীদের জন্য সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ সদরদপ্তরে সাংবাদিকদের...
২ ঘন্টা আগে
জুলাই শহীদদের অবদানেই ফ্যাসিস্টদের থেকে মুক্তি পেয়েছে মানুষ: প্রধানমন্ত্রী
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের কারণেই দেশের মানুষ ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ এবং গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের
২০ ঘন্টা আগে
