বিদ্যুৎ ঘাটতিতে নাকাল দেশ, রাজধানীতেও দিনে ৩-৬ বার লোডশেডিং
ছবি: সংগৃহীত
গ্যাস, কয়লা ও জ্বালানি তেলের একযোগে সংকটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দেশের কয়েকটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট বন্ধ থাকা। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় তৈরি হয়েছে তীব্র সংকট। রবিবার গভীর রাতে লোডশেডিং সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫৯৫ মেগাওয়াটে পৌঁছায়। পরদিন সোমবার দুপুরেও বিদ্যুতের চাহিদার প্রায় ১৮ শতাংশ সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি।
এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যেই আগস্ট মাস শেষ হয়েছে ভয়াবহ লোডশেডিং দিয়ে। রাজধানী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। একই সঙ্গে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, কৃষিতে সেচ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং পোলট্রি ও গবাদিপশুর খামারিরাও পড়েছেন বিপাকে।
এক দিনে গড়ে আড়াই হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) ঘণ্টাভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুর ১টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ২৪২ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয় ১৩ হাজার ৩৩৮ মেগাওয়াট। ফলে ওই সময়ে লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৯০৪ মেগাওয়াট, যা মোট চাহিদার প্রায় ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ।
এর আগে রাত ১টায় ১৬ হাজার ৬৭৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ২৪৮ মেগাওয়াট। ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ৪২৭ মেগাওয়াট। রাত ২টায় চাহিদা বেড়ে ১৬ হাজার ৮০৯ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ কমে দাঁড়ায় ১৩ হাজার ২১৪ মেগাওয়াটে। তখন লোডশেডিং সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫৯৫ মেগাওয়াটে পৌঁছে।
সকাল ৬টায় লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ২৫৫ মেগাওয়াট। সকাল ৯টায় তা কমে ১ হাজার ৯৬৭ মেগাওয়াটে এবং সকাল ১১টায় ১ হাজার ৪৪৫ মেগাওয়াটে নেমে আসে। তবে দুপুর ১২টার দিকে পরিস্থিতির আবার অবনতি ঘটে। মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে লোডশেডিং বেড়ে ৩ হাজার ১০১ মেগাওয়াটে পৌঁছে।
রাত ১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঘণ্টাভিত্তিক হিসাব বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এ সময়ে গড়ে প্রায় ২ হাজার ৫০৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহের এমন ওঠানামার কারণে বিতরণ কোম্পানিগুলোও নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী লোডশেডিং করতে পারছে না।
এক দিনে ৭ কোটি ১৫ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ ঘাটতি
রবিবারও দিনভর ছিল উচ্চমাত্রার লোডশেডিং। পিজিসিবির জাতীয় লোড ডেসপাচ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ওই দিন বিকেল ৩টায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ১৩ হাজার ৫১৪ মেগাওয়াট। এ সময় লোডশেডিং করা হয় দিনের সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৬৯২ মেগাওয়াট।
বিকেল ৪টায়ও বিদ্যুৎ ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ৬৩৯ মেগাওয়াট। সন্ধ্যায় তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর ফলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়। তবে রাত ৯টায় উৎপাদন দিনের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৮২৯ মেগাওয়াটে পৌঁছালেও চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ হাজার ৩৩০ মেগাওয়াট। ফলে তখনও ২ হাজার ৩৯৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়।
পিজিসিবির হিসাব অনুযায়ী, রবিবার সারা দিনে দেশে ৩৪ কোটি ৪৫ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। বিপরীতে চাহিদা ছিল প্রায় ৪১ কোটি ৬০ লাখ ইউনিট। ফলে এক দিনেই ৭ কোটি ১৫ লাখ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি।
গ্যাসের চাহিদার ৩৯ শতাংশই ঘাটতি
দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ভিত্তি গ্যাস। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা ১২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও গ্যাসের সংকটে এসব কেন্দ্র থেকে বর্তমানে ৪ হাজার ২০০ থেকে ৫ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। কোনো কোনো সময়ে উৎপাদন সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াটেও নেমে যাচ্ছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। অথচ রবিবার সন্ধ্যায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র ২৩২ কোটি ২০ লাখ ঘনফুট। অর্থাৎ ঘাটতি ছিল প্রায় ১৪৮ কোটি ঘনফুট বা ৩৯ শতাংশ।
মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পর গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়েছে। এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে। গ্যাসের অভাবে ঘোড়াশাল, সিদ্ধিরগঞ্জ, মেঘনাঘাট ও আশুগঞ্জের একাধিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি অথবা আংশিক বন্ধ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এলএনজি কার্গো এলে সেপ্টেম্বরের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়তে পারে। তবে একটি কার্গো দিয়ে চলমান বড় সংকট পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়।
কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর অর্ধেক সক্ষমতাই অব্যবহৃত
দেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মোট উৎপাদন সক্ষমতা ৮ হাজার ৪২৩ মেগাওয়াট। কিন্তু বর্তমানে এসব কেন্দ্র থেকে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক সক্ষমতা ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
পায়রা ও মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি করে ইউনিট বন্ধ থাকায় দুই কেন্দ্র থেকে অন্তত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। মাতারবাড়ীর একটি ইউনিট বন্ধ থাকায় সেখানে উৎপাদন ৫৫০ থেকে ৫৮০ মেগাওয়াটের মধ্যে রয়েছে। পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রও অর্ধেক সক্ষমতায় চলছে।
এ ছাড়া রামপাল ও পটুয়াখালীর আরএনপিএল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লার মজুত কম থাকায় পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করা যাচ্ছে না। বড়পুকুরিয়ার একটি ইউনিটও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রয়েছে।
তেলভিত্তিক কেন্দ্র চালিয়েও মিলছে না স্বস্তি
গ্যাস ও কয়লার ঘাটতি সামাল দিতে ব্যয়বহুল তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। গত এক সপ্তাহে এসব কেন্দ্রের জন্য অন্তত ২০ হাজার টন ফার্নেস অয়েল সরবরাহ করা হয়েছে, যা নির্ধারিত সূচির প্রায় দ্বিগুণ।
দেশে ফার্নেস অয়েলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মোট উৎপাদন সক্ষমতা ৫ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের বেশি। কিন্তু তেল সংকটে ২৮টি কেন্দ্র পুরোপুরি অথবা আংশিক বন্ধ রয়েছে।
দিনের বেশির ভাগ সময় এসব কেন্দ্র থেকে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। সন্ধ্যার সর্বোচ্চ চাহিদার সময় তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বাড়িয়ে ঘাটতি কমানোর চেষ্টা করা হলেও এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে।
পিজিসিবির হিসাব অনুযায়ী, রবিবার প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় উৎপাদন ব্যয় ছিল ৭ টাকা ৭৪ পয়সা। তেলভিত্তিক উৎপাদন বাড়লে এই ব্যয় আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রাজধানীতেও দিনে ৩ থেকে ৬ বার লোডশেডিং
বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়েছে রাজধানীতেও। আগে যেসব এলাকায় তুলনামূলক নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ দেওয়া হতো, সেসব এলাকাতেও এখন নিয়মিত লোডশেডিং হচ্ছে।
গুলশান, বনানী, বারিধারা, বসুন্ধরা, ধানমন্ডি, বেইলি রোড ও উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় দিনে তিন থেকে চারবার পর্যন্ত বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে মিরপুর, মোহাম্মদপুর, মগবাজার, বাড্ডা, রামপুরা, পুরান ঢাকা, শ্যামলী ও যাত্রাবাড়ীর অনেক এলাকায় দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার পর্যন্ত বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে।
একেকবার আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় বিদ্যুৎ না থাকায় তীব্র গরমে মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। সন্ধ্যা ও গভীর রাতেও লোডশেডিং হওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক ঘুম।
বিদ্যুৎ না থাকায় বাসাবাড়িতে পানির পাম্প, ফ্রিজ, ফ্যান ও বৈদ্যুতিক চুলা চালানো যাচ্ছে না। গ্যাসের নিম্নচাপের কারণে অনেক পরিবার আগে থেকেই বৈদ্যুতিক চুলায় রান্নার ওপর নির্ভর করছিল। এখন বিদ্যুৎ না থাকায় তারাও নতুন করে সমস্যায় পড়েছেন।
শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, বাড়ছে শ্রমিকদের ক্ষোভ
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বস্ত্র, ডায়িং, সিরামিক, ইস্পাতসহ জ্বালানিনির্ভর শিল্পগুলো। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কয়েকটি ডায়িং কারখানায় গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে। নরসিংদীর মাধবদীতেও অনেক কারখানা আংশিকভাবে চলছে। কিছু কারখানার একাধিক বিভাগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যেও ক্ষোভ বাড়ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবিতে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও এবং সড়ক অবরোধের কর্মসূচি পালন করেছেন।
শ্রমিকদের আশঙ্কা, দীর্ঘ সময় উৎপাদন স্বাভাবিক না হলে বেতন-ভাতা পরিশোধে সমস্যা হওয়ার পাশাপাশি অনেকেই চাকরি হারাতে পারেন।
কৃষি ও খামারেও সংকটের প্রভাব
বিদ্যুৎ সংকট শুধু নগরজীবন ও শিল্পকারখানায় সীমাবদ্ধ নেই। কৃষিপ্রধান এলাকাগুলোতেও এর প্রভাব পড়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় সেচ পাম্প চালাতে না পারায় কৃষকদের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
একইভাবে পোলট্রি ও গবাদিপশুর খামারিরাও সমস্যায় পড়েছেন। অতিরিক্ত গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় খামারে ফ্যান, পানির পাম্প ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
দ্রুত স্বস্তির নিশ্চয়তা নেই
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান সংকটের পেছনে কোনো একক কারণ নেই। এলএনজি টার্মিনালের সরবরাহ ব্যাহত হওয়া, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়া, কয়লার মজুত সংকট, ফার্নেস অয়েলের স্বল্পতা এবং বড় কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট বন্ধ থাকা—সব মিলিয়ে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে।
সেপ্টেম্বরের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে নতুন এলএনজি কার্গো এলে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়তে পারে। তবে পায়রা ও মাতারবাড়ীর বন্ধ ইউনিট চালু করা, অন্যান্য কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি নিশ্চিত করা এবং তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে লোডশেডিং দ্রুত সহনীয় পর্যায়ে নামানো কঠিন হতে পারে।
তার ওপর তীব্র গরম অব্যাহত থাকলে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়তে পারে। ফলে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সেপ্টেম্বরেও বিদ্যুৎ সংকট অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস গণতন্ত্রকামী জনগণ: তারেক রহমান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিশ্বাস করে, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই দলের সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বিএনপির অপর নাম একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (৩১ আগস্ট) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব...
১ ঘন্টা আগে
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশবাসী ও নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা তারেক রহমানের
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশবাসী, দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (৩১ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।বিবৃতিতে তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি অতন্দ্রপ্রহরীর ভূমিকা...
১২ ঘন্টা আগে
জাতীয় এডিটরস কাউন্সিলের নতুন কমিটি গঠন
জাতীয় এডিটরস কাউন্সিলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শফিক রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শফিকুল আলম।শফিক রহমান দৈনিক যায়যায়দিনের সম্পাদক, মাহমুদুর রহমান দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক এবং শফিকুল আলম দ্য ডেইলি ওয়ার্ল্ডের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে
১৭ ঘন্টা আগে
সেপ্টেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত
সেপ্টেম্বর মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে আগামী ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিন আগের নির্ধারিত দামেই বিক্রি হবে।রোববার (৩০ আগস্ট) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অপারেশন-১ শাখা থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার
১৮ ঘন্টা আগে
