জাতিসংঘে বাংলায় তারেক রহমান, গুরুত্ব পেল রোহিঙ্গা সংকট ও বিশ্বশান্তি
দ্যা সিটি সিগন্যাল ডেক্স
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাধারণ পরিষদের তৃতীয় দিনের বিকেলের অধিবেশনে ১৮ জন বক্তার মধ্যে ১১তম বক্তা হিসেবে তিনি বক্তব্য দেন। ভাষণে তিনি বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট, ফিলিস্তিন, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, অভিবাসন এবং প্রযুক্তির অগ্রগতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।
ভাষণের শুরুতে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান তারেক রহমান। একই সঙ্গে বিদায়ী সভাপতি এনালেনা বেয়ারবককে তাঁর নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ জানান। পরে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তারেক রহমান বলেন, বিশ্বায়নের এই সময়ে বিশ্বের কোনো একটি প্রান্তে সংঘাত বা সংকট তৈরি হলে তার নেতিবাচক প্রভাব অন্য দেশগুলোর ওপরও পড়ে। যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে এবং বিভিন্ন দেশে মানবিক সংকট তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতি জ্বালানি নিরাপত্তা সংকট, বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং মূল্যস্ফীতির চাপে পড়ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংঘাত নিরসনে আলোচনা, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমতা, ন্যায্যতা, পারস্পরিক স্বার্থ, সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। তিনি এমন একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্বব্যবস্থার প্রত্যাশা করেন, যেখানে মারণাস্ত্রের পরিবর্তে যুক্তি, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতা পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে।
ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্দশা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাসহ তাদের ন্যায্য দাবির প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ ও সাধারণ নিরস্ত্রীকরণ, পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যের প্রতিও বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথা জানান।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের প্রতি জোর
ভাষণে বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটকে বিশেষ গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘ নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এর ফলে বাংলাদেশের সম্পদ, পরিবেশ, নিরাপত্তা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
তারেক রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গা সংকটের উৎস মিয়ানমারে এবং এর সমাধানও সেখানেই নিহিত। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়াকেই তিনি সংকটের একমাত্র সমাধান হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি এ সংকটের চূড়ান্ত সমাধানে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় ও কার্যকর সমর্থন কামনা করেন। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত তাদের জীবন রক্ষাকারী সহায়তা কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বানও জানান। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতে এ সংকট আরও বড় মানবিক সংকটে রূপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবস্থানও তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান তুলনামূলকভাবে কম হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব বাংলাদেশকে বহন করতে হচ্ছে। এ কারণে জলবায়ু ন্যায়বিচার, জলবায়ু অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তার ক্ষেত্রে আরও জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের প্রত্যাশা করেন তিনি।
দেশের পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ক্লিন এনার্জি ও সৌরশক্তির ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বন্যা ও খরা মোকাবিলায় সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচির কথাও জানান তিনি।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ, সুন্দরবনে মিঠাপানির প্রবাহ বৃদ্ধি এবং পানি সংরক্ষণের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও ভাষণে তুলে ধরেন তারেক রহমান। আন্তঃসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন তিনি।
অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক সুরক্ষা
ভাষণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু ভোটের গণতন্ত্র নয়, অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নও নিশ্চিত করতে চায় সরকার, যাতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির সুফল প্রতিটি পরিবার ও নাগরিকের কাছে পৌঁছায়।
এ লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার্স কার্ড, স্পোর্টস কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন তিনি। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। নারী প্রধান পরিবারের নামে দেওয়া ফ্যামিলি কার্ডকে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।
তারেক রহমান আরও বলেন, বিভিন্ন সহায়তামূলক কার্ডকে সমন্বয় করে ভবিষ্যতে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরিকে সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
শিক্ষা, খেলাধুলা ও তরুণদের নিয়ে পরিকল্পনা
বাংলাদেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর্মমুখী ও নৈতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাগ, স্কুল ইউনিফর্ম ও বিনামূল্যে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করার কথা তুলে ধরেন তিনি। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শিক্ষা সিলেবাসে ‘স্পোর্টস’কে বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও জানান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গত জুনে স্কুলশিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত মাসব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্টে ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।
তরুণ জনগোষ্ঠীর সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক ও উদ্ভাবকদের জন্য স্টার্টআপ উদ্যোগের সুযোগ তৈরিতে চলতি অর্থবছরে ৪ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের কথা তিনি ভাষণে উল্লেখ করেন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির সুফল সবার জন্য নিশ্চিতের আহ্বান
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বায়োটেকনোলজি ও বিজ্ঞানের নতুন যুগে প্রবেশ করছে। তবে প্রযুক্তির সুবিধা এখনো সবার জন্য সমান নয়। বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী ও ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা সম্ভব বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, আজকের ডিজিটাল বিভাজন যেন আগামী দিনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভাজনে পরিণত না হয়। উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দ্রুত বিকাশের সুফল যাতে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানো যায়, সে জন্য জাতিসংঘের কার্যকর নীতিমালা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
গণতন্ত্র ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা
ভাষণের শেষ দিকে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দেন তারেক রহমান। তিনি এমন একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, কল্যাণমূলক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, যেখানে দল-মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার, সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে বসবাস করতে পারবেন।
বিনিয়োগ ও ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকে স্বাগত জানানোর কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তরুণদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ, নারীর আত্মনির্ভরতা এবং শিশুদের সম্ভাবনা বিকাশের পরিবেশ তৈরির প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে জনগণ নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জীবনের নিশ্চয়তা পাবে।
ভাষণের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ—সবার জন্য বাংলাদেশ।’ বিশ্ব মানবতার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে ‘লিগ্যাল অফিসার’ জাইমা রহমান
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে ‘লিগ্যাল অফিসার’ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান।খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে বিভিন্ন পদে মোট ৪০ জন দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের মধ্যে জাইমা রহমানসহ ছয়জন বাংলাদেশি রয়েছেন।বাংলাদেশি কূটনীতিক আব্দুল আলিম এ কার্যালয়ের ‘ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেট’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।...
১৩ ঘন্টা আগে
জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: প্রতিমন্ত্রী
দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও এই কার্ড পাবেন।বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বন্যাদুর্গত মানুষের পুনর্বাসনে আর্থিক সহায়তার চেক...
১৬ ঘন্টা আগে
ইউএনজিএ প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডার্সে বক্তব্য দিলেন জুবাইদা রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত ‘ইউএনজিএ প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডার্স’-এ বক্তব্য দিয়েছেন।জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ইউএনজিএ প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডার্স হলো নারী নেতৃত্বকে এগিয়ে নেওয়া এবং বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অংশগ্রহণ জোরদারের একটি উদ্যোগ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের
১৯ ঘন্টা আগে
হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রীর ছেলে দেবাশীষ রায় চৌধুরী
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।শপথ অনুষ্ঠানে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীকে হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে
২০ ঘন্টা আগে
