সারাদেশ

আমেরিকায় ট্যাক্সি চালিয়ে দেশে গড়েছেন ৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

অনলাইন ডেস্ক

৬ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে উপার্জিত অর্থ দেশের শিক্ষাখাতে ব্যয় করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ধান্যদৌল গ্রামের মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী।

জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে ট্যাক্সি চালিয়েছেন তিনি। সেই উপার্জনের বড় অংশই তিনি দেশে পাঠিয়েছেন শিক্ষা বিস্তারে। নিজ গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় তিনি গড়ে তুলেছেন মোট ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-দুটি কলেজ, একটি উচ্চ বিদ্যালয়, দুটি মাদরাসা ও একটি কিন্ডারগার্টেন। পাশাপাশি দুটি পাঠাগারও প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি।

স্থানীয়দের কাছে তিনি এখন ‘দানবীর’ হিসেবে পরিচিত। নিজের নামে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

মোশাররফ বলেন, “আমি নিজে পড়াশোনা বেশি দূর করতে পারিনি। কিন্তু চেয়েছি, আমার এলাকার কেউ যেন অর্থের অভাবে শিক্ষাবঞ্চিত না হয়। সেই চিন্তা থেকেই এই উদ্যোগ।”

১৯৮৯ সালে প্রথম স্কুল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তার শিক্ষা বিস্তারের যাত্রা শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে কলেজ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন তিনি।

শুধু শিক্ষা নয়, সমাজকল্যাণেও রয়েছে তার অবদান। তিনি একটি ডায়াবেটিক হাসপাতালের জন্য প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের জমি দান করেছেন। এছাড়া ঈদগাহ, কবরস্থান ও মসজিদ উন্নয়নেও ভূমিকা রেখেছেন।

বর্তমানে ৬২ বছর বয়সী মোশাররফ এখনো যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণ জীবনযাপন করছেন। বিলাসিতা নয়, বরং সাদামাটা জীবন বেছে নিয়েছেন তিনি।

তার ভাষায়, “আমি আনন্দ পাই মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে। যত দিন বাঁচি, মানুষের উপকার করেই বাঁচতে চাই।”

তার এই মানবিক উদ্যোগ এলাকায় শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom