রাজনীতি

বাংলাদেশি তরুণদের জন্য আন্তর্জাতিক সুযোগের নতুন দুয়ার খুলতে পারে চীন-বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক

১ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


চায়না সফরে গিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিকাশে নতুন আলোচনার কথা বলেছেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি ইউনিভার্সিটির সহ সদস্যদের (ডাকসু-সভাপতি (পিভি) সাদিক আন্তর্জাতিক কায়েম। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ও চীনের সন্তানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী ও ভবিতব্যমুখী রূপ দেওয়া সম্ভব।

গণমাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সাদিক কায়েম জানান, চীনের বিদ্যাপীঠ সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়-এ শীর্ষ দ্বিপাক্ষিক সংঘ তিনি “ঢাকা-বেইজিং ইয়ুথ ফেলোশিপ” প্রচারের প্রস্তাব। সংলাপে ডাকসু দল সিংহিয়া, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র, ছাত্র সংসদ এবং চায়না গণতন্ত্রের অংশ।

সমর্থে সমর্থনে, ক্যাপাস গভর্নর, জ্ঞানমত্তা, প্রযুক্তিগত রূপান্তর এবং বৈশ্বিকম মোকাবিলায় তরুণ ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি দুই দেশের বন্ধু, উদ্যোক্তা ও তরুণদের মধ্যে যোগাযোগ ও যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সাদিক কায়েম বলেন, বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট কেবল রাষ্ট্রীয় পিপি সীমাবদ্ধ নাটী “পল-টুপল কানেক্টিভিটি” জোরদার করা প্রয়োজন। বিশেষ করে শিক্ষা, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও গবেষণা নীতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।

সংলাপে সিংগুয়া স্থানীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ মানুষের জন্য শুও ডাকের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-কে “গ্বাল ইয়ুথ ডায়ালগ”-এ অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। একই সঙ্গে ডাকসুর পার্টির সদস্যদের আসন্ন “দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক জুলাই কনফারেন্স”-এ অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণসভা হয়।

শিক্ষা কূটনীতি নতুন কলেজ

বিশ্লেষকদের সমর্থন, উত্তর বছরবাজার চীন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে শিক্ষা ও সংস্কৃতির সম্পর্ক জোরদারে বিশেষ গুরুত্ব দিতে। শান্তির জন্য চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা, ও স্ক্লারশিপ সুযোগ-ক্রম অনুশীলন।

এ প্রেক্ষাপটে ডাকসুর এই উদ্যোগকে সমস্যা “ইয়ুথ ডিপ্লোম্যাসি” বা তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক কূটনীতিক সম্পাদিত অংশ হিসেবে দেখেছেন। নেতাদের মধ্যে অংশীদারিত্ব, সক্রিয় সম্পর্কের সম্পর্কে সক্রিয় এবং সক্রিয় যোগাযোগ ভবিষ্যৎ এবং অর্থনৈতিক কৌশলগত অংশীদারিত্বেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে তারা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগকে কার্যকর করতে হলে কেবলমাত্র আলোচনা করতে হবে না, সরাসরি পাসোশিপ, গবেষণা তহবিল, এক্সপ্লেক্স এবং দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক অংশীদারিত্ব করতে হবে।

সাদিক কায়েম তার পোস্টে আশাবাদ বলেন, “অদূরে আন্তর্জাতিক দুয়ারে বাংলাদেশি তরুণদের অঙ্গনে নতুনর উন্মোচিত হবে।

Dr.Mahfuzul Alom