জেলার খবর

সুরমা-কুশিয়ারায় পানি বৃদ্ধি, সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক

১১ ঘন্টা আগে


সুরমা-কুশিয়ারায় পানি বৃদ্ধি, সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত


সুরমা, কুশিয়ারা ও সোমেশ্বরী নদীর চারটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আগামী দুই দিনে সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সোমবার (১৩ জুলাই) কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল ইসলাম শোভনের সই করা বৃষ্টিপাত, নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পর্যবেক্ষণাধীন স্টেশনগুলোর মধ্যে সুরমা নদীর ছাতক (সুনামগঞ্জ), কুশিয়ারা নদীর মারকুলি (সুনামগঞ্জ) ও ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ এবং ভারতের আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ প্রবণতা আরও দুই দিন অব্যাহত থাকার পর তৃতীয় দিনে স্থিতিশীল থাকতে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

এদিকে যাদুকাটা ও ভুগাই-কংস নদীর পানি বেড়েছে, সোমেশ্বরী নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে এবং সারিগোয়াইন নদীর পানি কিছুটা কমেছে। তবে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী ও ভুগাই-কংস নদীর পানি আবারও বেড়ে কয়েকটি স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এর ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

রংপুর বিভাগের তিস্তা নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রামে তিস্তা ও দুধকুমারের পানি কয়েকটি স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যার সৃষ্টি করতে পারে। একই সময়ে গাইবান্ধায় তিস্তা এবং কুড়িগ্রামে ধরলা নদী সতর্কসীমায় প্রবাহিত হয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ছাড়া রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের টাঙ্গন, পুনর্ভবা, ঘাঘট, আত্রাই, আপার আত্রাই, মহানন্দা, যমুনেশ্বরী ও করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আপার করতোয়ার পানি কিছুটা কমেছে। আগামী তিন দিন এসব নদীর পানিও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরীসহ কয়েকটি নদীর পানি কমতে পারে। ফলে এসব এলাকার নিম্নাঞ্চলে চলমান বন্যা পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যা
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যা

টানা এক সপ্তাহের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। জেলার সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও চন্দনাইশ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনো পানির নিচে রয়েছে। শনিবার বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও রোববার সকাল থেকে আবারও ভারী বর্ষণ শুরু হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগের পাশাপাশি...

১ দিন আগে


এমপিকে তুলতে মাঝনদী থেকে ফেরি ফিরিয়ে আনার অভিযোগ, ক্ষোভ যাত্রীদের
এমপিকে তুলতে মাঝনদী থেকে ফেরি ফিরিয়ে আনার অভিযোগ, ক্ষোভ যাত্রীদের

নোয়াখালীর হাতিয়া-নলচিরা নৌপথে যাত্রী ও যানবাহনবাহী একটি ফেরি মাঝনদী থেকে ঘুরিয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান ঘাটে ফিরিয়ে আনার ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যাত্রীদের অভিযোগ, নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদকে ফেরিতে তোলার জন্যই নির্ধারিত যাত্রাপথ পরিবর্তন করে ফেরিটি ঘাটে ফিরিয়ে আনা হয়। তবে সংসদ সদস্য দাবি করেছেন,...

১ দিন আগে


কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি ৫ লাখের বেশি মানুষ
কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি ৫ লাখের বেশি মানুষ

টানা ভারি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া, মাতামুহুরীসহ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনো পানির নিচে রয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমলেও জেলার পাঁচ লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।জেলার দুই প্রধান নদী বাঁকখালী ও মাতামুহুরীর পানি টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার...

২ দিন আগে


সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ছাড়লেন আরও ৩১১ পর্যটক
সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ছাড়লেন আরও ৩১১ পর্যটক

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস এবং সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়া পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। দ্বিতীয় দফায় আরও ৩১১ জন পর্যটক সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা সহায়তায় সাজেক ত্যাগ করেছেন।শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টায় বাঘাইহাট জোন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।সেনাবাহিনী সূত্র জানায়,...

৩ দিন আগে

Dr.Mahfuzul Alom