সারাদেশ

মেঘনা ভাঙন ও কালবৈশাখীতে শেষ আশ্রয়ও হারালেন সুবর্ণচরের কৃষক জসিম উদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক

৮ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার এক কৃষক জসিম উদ্দিন নদীভাঙন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের একের পর এক আঘাতে সর্বস্ব হারিয়ে বর্তমানে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেঘনা নদী-এর ভাঙনে একসময় ভিটেমাটি হারান জসিম উদ্দিন। এরপর তিনি অন্যের জমিতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীতে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কারণে সেখান থেকেও সরে যেতে বাধ্য হন।

শেষ পর্যন্ত তিনি নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বেড়িবাঁধের পাশে খাস জমিতে টিন ও বাঁশ দিয়ে একটি ছোট ঘর তৈরি করে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তবে গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে মুহূর্তেই সেই ঘরটি ধ্বংস হয়ে যায়।

ঘটনার চার দিন পার হলেও এখনো কোনো ধরনের সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। বর্তমানে তারা খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন।

জসিম উদ্দিনের স্ত্রী অজিবা খাতুন বলেন, “আমাদের থাকার মতো আর কোনো জায়গা নেই। যেটুকু ছিল সেটাও শেষ হয়ে গেছে। রাতে ঘুমাতে পারি না।”

জসিম উদ্দিন বলেন, “নদী আমাদের ভিটেমাটি নিয়েছে, বাঁধের সময় আশ্রয় হারিয়েছি। শেষ আশ্রয়টুকুও ঝড়ে চলে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় যাব বুঝতে পারছি না।”

স্থানীয়রা জানান, উপকূলীয় এই এলাকায় বহু পরিবারই নদীভাঙন ও ঘূর্ণিঝড়-কালবৈশাখীর মতো দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছে। তবে ধারাবাহিক দুর্যোগে তাদের জীবন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, বিষয়টি জানা গেছে। দ্রুত খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom