জাতীয়

ক্যানসার নিয়ন্ত্রণে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকেই গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

২১ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


ডাঃ এম. এ. মুহিত বলেছেন, ক্যানসার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে মূল ভিত্তি হিসেবে ধরে কাজ করছে।

শনিবার (১৬ মে) জেনেভা-এ অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ হেলথ কোঅর্ডিনেশন ফোরামের ‘কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোতে ক্যানসার চিকিৎসা’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ক্যানসার চিকিৎসাকে সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও জনবান্ধব করতে এটিকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে একীভূত করা জরুরি।

তিনি জানান, ২০২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি মানুষ ক্যানসারজনিত কারণে মারা যাচ্ছেন। সময়মতো রোগ শনাক্ত না হওয়া, চিকিৎসার সীমিত সুযোগ এবং উচ্চ ব্যয় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতীয় ক্যানসার ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন ও সমন্বিত অসংক্রামক ব্যাধি (এনসিডি) কৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার জন্য হাসপাতালভিত্তিক ক্যানসার রেজিস্ট্রি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

জরায়ুর ক্যান্সার প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে কিশোরীদের জন্য বড় পরিসরে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এছাড়া জরায়ুমুখ, স্তন ও মুখগহ্বরের ক্যানসার স্ক্রিনিং এবং প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণে কমিউনিটি-ভিত্তিক কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।

তবে স্বাস্থ্যখাতের কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও স্বীকার করেন তিনি। বিশেষায়িত অবকাঠামোর ঘাটতি, দক্ষ জনবলের অভাব, সেবার অসম বণ্টন এবং চিকিৎসার অতিরিক্ত ব্যয় এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে রাজধানীর বাইরে ক্যানসার চিকিৎসা বিকেন্দ্রীকরণ এবং প্যাথলজি ও অনকোলজি খাতের উন্নয়নে কাজ চলছে।

কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে ড. মুহিত বলেন, দক্ষ জনবল তৈরি, গবেষণা, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা ও স্ক্রিনিং কার্যক্রম জোরদারে সদস্য দেশগুলোর একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন।

তিনি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ও সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে কমনওয়েলথ সদস্য রাষ্ট্র, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের সঙ্গে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom