বানিজ্য

ইসলামী ব্যাংকের ৫ হাজার কর্মকর্তার কর্মবিরতি: রবিবার থেকে কর্মসূচির ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক

৭ মাস আগে


{news.title}

ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত প্রায় ৪০০ কর্মকর্তা এবং ওএসডি (অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি) হওয়া প্রায় পাঁচ হাজার কর্মকর্তার পক্ষ থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রামের প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী রবিবার (৫ অক্টোবর) থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাদের কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে এই কর্মবিরতি পালন করবেন।

কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, চাকরিচ্যুতি ও ওএসডি প্রত্যাহার, অতীতে হওয়া হামলার বিচার এবং কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন এবং কাজে যোগ দেবেন না।

সংবাদ সম্মেলনে মো. হুমায়ুন সিকদার, এমদাদ হোসাইন, এবং মো. মোক্তার রসিদ বক্তব্য দেন। তাদের লিখিত বক্তব্য থেকে জানা যায়, বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকে কর্মরত চট্টগ্রামের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কর্মকর্তা একটি "অভূতপূর্ব মানবিক সংকটের" মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে প্রায় ৪০০ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, এবং প্রায় পাঁচ হাজার কর্মকর্তাকে ওএসডি (কর্মস্থলে নিষ্ক্রিয়) করে রাখা হয়েছে। কর্মকর্তারা তাদের ওপর হওয়া হামলা, মারধর এবং এসব পদক্ষেপকে 'অন্যায্য ও অমানবিক' বলে দাবি করেছেন।

লিখিত বক্তব্যে তারা তাদের দাবিগুলো তুলে ধরে বলেন:

  • বিনা কারণে টার্মিনেট হওয়া কর্মকর্তাদের স্বপদে পুনর্বহাল
  • প্রহসনমূলক পরীক্ষা বয়কটের জন্য কর্মকর্তাদের ওপর চাপানো স্থানান্তর (পানিশমেন্ট ট্রান্সফার) অবিলম্বে বন্ধ করা।
  • গত সরকারের আমলে প্রদত্ত অবৈধ পদোন্নতির (প্রমোশন) তদন্ত
  • বৈষম্যহীন ও রাজনীতিমুক্ত কর্মপরিবেশ সৃষ্টি।
  • শর্ত আরোপ করে সকল প্রকার অ্যাসেসমেন্ট টেস্ট বন্ধ করা।
  • চট্টগ্রামের কর্মকর্তাদের ওপর চালানো মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।
  • বৃহত্তর চট্টগ্রামের সব কর্মকর্তাকে পুনরায় কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনা

কর্মকর্তারা জানান, তারা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের কাছে এসব দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু তাদের অভিযোগ, দুঃখজনকভাবে দাবিগুলো পূরণে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

তাদের দাবিগুলো মেনে নিতে সময় দেওয়ার পরও ন্যায়বিচার না পাওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে সর্বাত্মক কর্মবিরতির কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। কর্মকর্তারা ঘোষণা দিয়েছেন যে, যতদিন না তাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়া হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত এই কর্মসূচি বলবৎ থাকবে।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom