আন্তর্জাতিক

ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে বড় গ্যাস মজুত আবিষ্কার: উৎপাদন তিনগুণ করার লক্ষ্য এনির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


ইন্দোনেশিয়ার উপকূলীয় এলাকায় বিশাল প্রাকৃতিক গ্যাসের নতুন মজুত আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে ইতালির জ্বালানি জায়ান্ট কোম্পানি এনি। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই আবিষ্কার দেশটির জ্বালানি খাতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে এনি তাদের উৎপাদন তিনগুণ বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে।

কোম্পানির এক বিবৃতিতে জানানো হয়, পূর্ব কালিমান্তান প্রদেশের উপকূল থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরের একটি এলাকায় প্রাথমিকভাবে প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এবং ৩০ কোটি ব্যারেল কনডেনসেট (তরল হাইড্রোকার্বন) মজুতের সন্ধান পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

এনি বলেছে, এই আবিষ্কার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন জ্বালানি সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি করবে। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যে কোম্পানিটির দৈনিক উৎপাদন ২ হাজার মিলিয়ন স্ট্যান্ডার্ড কিউবিক ফুটে (এমএমএসসিএফডি) পৌঁছাতে পারে, যা পরে ৩ হাজার এমএমএসসিএফডি পর্যন্ত বাড়তে পারে। বর্তমানে উৎপাদন রয়েছে ৬০০–৭০০ এমএমএসসিএফডি।

ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী বাহলিল লাহাদালিয়া এই আবিষ্কারকে “বড় ধরনের অগ্রগতি” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, কনডেনসেট উৎপাদন বাড়লে দেশটির তেল আমদানি নির্ভরতা কমে আসতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার মধ্যে এই আবিষ্কার ইন্দোনেশিয়ার জন্য জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বর্তমানে ইন্দোনেশিয়া নিজে তেল ও গ্যাস উৎপাদনকারী দেশ হলেও জ্বালানির নিট আমদানিকারক। দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ও রান্নার জ্বালানিতে প্রাকৃতিক গ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সরকার জানিয়েছে, সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির চাপ মোকাবিলায় তারা জ্বালানি আমদানির বিকল্প উৎস খুঁজছে। এনি-র এই আবিষ্কার সেই কৌশলের জন্য একটি সম্ভাবনাময় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মজুত পূর্ণাঙ্গভাবে উৎপাদনে এলে ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা আসতে পারে এবং আঞ্চলিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়বে।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom