অপরাধ

ধরা ছোঁয়ার বাইরে বান্দরবানের ফ্যাসিস্ট দুর্নীতি, লুটপাট ও গুম-খুনের মাস্টারমাইন্ড অবৈধ এমপি বীর বাহাদুর

বান্দরবান প্রতিনিধি

৯ মাস আগে


ধরা ছোঁয়ার বাইরে বান্দরবানের ফ্যাসিস্ট দুর্নীতি, লুটপাট ও গুম-খুনের মাস্টারমাইন্ড অবৈধ এমপি বীর বাহাদুর

স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ ও খুনী হাসিনার পতনের পর সারাদেশে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা হলেও বান্দরবানের চিত্র ভিন্ন। বান্দরবানে ২০০৮, ১৪, ১৮ ও ২৪ এর পাহাতো নির্বাচন সহ বিনাভোটে নির্বাচিত ৭ বারের এমপি বীর বাহাদুর উশৈসিং এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। তার নেতৃত্বে বান্দরবানের দীর্ঘ ৩১ বছরের ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হয়েছিলো। এই স্বৈরাচারের কথায় চলতো বান্দরবানের প্রশাসন, অফিস, আদালত, টেন্ডার বাণিজ্য ইত্যাদি সবকিছু।

খু*নী হাসিনার কায়েম করা ফ্যাসিবাদের অন্যতম ও প্রত্যক্ষ সহযোগী এই বীর বাহাদুর। তার ভয়ে বান্দরবানে কখনো কেউ ‍মুখ খুলতে পারতো না। বিএনপি, জামায়াতসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের সে বান্দরবানে কোনোদিন থাকতে দেয়নি। প্রকাশ্যে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে পারতো না বিরোধীদলগুলো। দমন, নিপীড়ন ও নির্যাতন চালিয়ে এক নায়কতন্ত্র কায়েম করেছিলো বান্দরবানে।

কিন্তু খু*নী হাসিনার পতনের পরও ফ্যাসিস্ট বীর বাহাদুর এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। দূর্নীতির দায়ে নামমাত্র মামলা হলেও আজও তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়নি। জুলাইয়ের হাজারো শহীদের রক্তের উপর দাড়িয়ে আজও সে বিলাসবহুল বাড়িতে আরামে দিন কাটাচ্ছে। বাড়িতে বসে অন্যান্য আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নিয়ে পাহাড়কে অস্থিতিশীল করে নির্বাচন বানচাল করার এবং নাশকতার পরিকল্পনা করছে প্রতিনিয়ত।

ভয়ে বান্দরবানের মানুষ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলার সাহস না পেলেও আওয়ামীলীগের পতনের পর তার বিরুদ্ধে মানুষ মুখ খুলেছে। কিন্তু প্রশাসনের নীরব ভূমিকা এবং অজানা কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো এ্যাকশন হয়নি। তার অপরাধের খতিয়ান বিশাল। দূর্নীতি, লুটপাট, টেন্ডার বাণিজ্য, অর্থ পাচার, খুন, গুম, ভোট ডাকাতি এবং বিরোধীদলের উপর দমন নিপীড়নের কালো ইতিহাস তার রয়েছে। নেপাল অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে রয়েছে অঢেল অবৈধ সম্পদ ও পাচার করা অর্থ।

এই ফ্যাসিস্ট বীর বাহাদুরের ৩৭ হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক, আদালত কর্তৃক দেয়া হয়েছে দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা। স্ত্রী মে হ্লা প্রু ও তাদের তিন সন্তান উ সিং হাই, থোওয়াই শৈ ওয়াং এবং ম্যা ম্যা খিং ভেনাসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। যাদের নামে রয়েছে বিদেশে অঢেল অবৈধ সম্পত্তি।

দীর্ঘ ৩১ বছর একটানা ক্ষমতা থাকার সুবাদে বীর বাহাদুর বিপুল অবৈধ সম্পত্তির মালিক হয়েছে। ১৯৯১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামীলীগের টানা ৭ বারের সংসদ সদস্য (যার মধ্যে ৪ বার হাসিনার পাতানো নির্বাচনে), পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং পূর্ন মন্ত্রীর দায়িত্বেও ছিলো।

২০১৭ সালের ১৮ জুন ফ্যাসিস্ট বীর বাহাদুরের প্রত্যক্ষ মদদে বান্দরবান শহরের উত্তর কালাঘাটার একটি মসজিদের কক্ষ থেকে বান্দরবান সরকারি কলেজে কলেজের ছাত্র ও ইসলামী ছাত্র শিবির বান্দরবান সদর থানা শাখার সেক্রেটারি মো. জয়নাল আবেদীনকে গুম করে র‌্যাব। আজও তার কোনো খোঁজ মেলেনি। গুম কমিশনে অভিযোগ করা হলেও বীর বাহাদুর এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে।

খু*নী হাসিনার আমলে ২০০৮, ১৪, ১৮ ও ২৪ সালের পাতানো, অবৈধ, রাতের ভোট ও প্রহসনের নির্বাচনে ভোট ডাকাতি করে নির্বাচিত হয়। ২৪ এর নির্বাচনে এক অচেনা লোককে জাতীয় পার্টির প্রার্থী করে ভোটের নামে নাটক করে বীর বাহাদুর। তাছাড়া বান্দরবান ও লামা পৌরসভা, ৬টি উপজেলা ও প্রতিটি ইউনিয়নের নির্বাচনে তার মনোনীত প্রার্থীকেই বিজয়ী ঘোষণা করতো এই ফ্যাসিস্ট।

বিএনপি, জামায়াত, ছাত্রদল, শিবিরসহ অন্যান্য বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের উপর অকথ্য নির্যাতন, মিথ্যা মামলা, গ্রেপ্তার ও নিপীড়ন চালিয়ে সৃষ্টি করেছিলো ত্রাসের রাজত্ব। বিএনপি-জামায়াতের অসংখ্য নেতাকর্মীকে ঘরছাড়াকে ঘরছাড়া করেছে সে। আওয়ামীলীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে দিতো না তার নির্দেশে।

২০১৫ সালে এবং ২৩ সালে যথাক্রমে ৪৫ জন এবং ৯জন ছাত্রকে শিবির ট্যাগ দিয়ে গ্রেপ্তার করে মিথ্যা মামলা দিয়ে থানায় নির্মম নির্যাতন করেছিলো বীর বাহাদুরের নির্দেশে। নাবালক কিশোরকেও দেওয়া হয়েছিলো মামলা। তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা পালিয়ে জীবনযাপন করতো প্রাণ হাতে নিয়ে।

সরকার পতনের পরও পাহাড়ী সন্ত্রাসীগোষ্ঠী জেএসএস, ইউপিডিএফ ও কেএনএফ এবং আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীদের নিয়ে তার বাড়িতে গোপন মিটিং করে সরকার ও বিরোধী ষড়যন্ত্র করছে এই বীর বাহাদুর। প্রতিদিন আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তার বাড়িতে গোপনে যাওয়া আসা করছে এবং তাদের টাকা পয়সা দিয়ে মদদ দিচ্ছে ফ্যাসিস্ট বীর বাহাদুর।

সরকার পতনের পর প্রায় সাড়ে ১১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ৭৪ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে তাঁর স্ত্রী মে হ্লা প্রূ এবং তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নামে থাকা ১৩টি ব্যাংক হিসাবে ৩২ কোটি ১৬ লাখ ৫৮ হাজার ৪০২ টাকা জমা হয় এবং সেখান থেকে ২৬ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ১০৫ টাকা উত্তোলন করা হয়। এসব লেনদেনের উৎস অবৈধ ও গভীর সন্দেহজনক। তাঁর নামে ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৪৬৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্যও দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

দ্বিতীয় মামলায় তাঁর স্ত্রী মে হ্লা প্রূ-এর বিরুদ্ধে ১৫ কোটি ৫৮ লাখ ৮১ হাজার ১৮৪ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদক জানিয়েছে, মে হ্লা প্রূ-এর নামে থাকা ৬টি ব্যাংক হিসাবে ৯ কোটি ৩০ লাখ ৭২ হাজার ২৩ টাকা জমা হয় এবং সেখান থেকে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৯ হাজার ১৬১ টাকা উত্তোলন করা হয়। এ ছাড়া তাঁর নামে থাকা ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৯৪ হাজার ৭৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এই মামলায় ফ্যাসিস্ট বীর বাহাদুরকে সহযোগী আসামি করেছে দুদক।

অন্যদিকে বীর বাহাদুর ও তার স্ত্রীর মে হ্লা প্রুর বান্দরবন জেলায় ১৩ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে জমি ও প্লট। এছাড়া তাদের নামে থাকা ১২টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। জব্দ ও অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া সম্পত্তিগুলোর মধ্যে বীর বাহাদুর এর বান্দরবান জেলায় ১২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ৮টি ব্যাংক হিসাব। এছাড়া মে হ্লা প্রুর চার ব্যাংক হিসাব, একটি নিউ হিনো এসিবাস, একটি প্রাইভেটকার ও বান্দরবন জেলায় ১ কোটি ২৮ হাজার টাকার স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে।

এই ফ্যাসিস্ট বীর বাহাদুর উ শৈ সিং এর ইশারা ছাড়া বান্দরবান জেলার গাছের পাতাও নড়েনি খু*নী হাসিনা সরকারের ১৭ বছরে। ক্ষমতা থাকাকালীন সময়ে পার্বত্য জেলার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য , উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষধের চেয়ারম্যান মনোয়ন , দলীয় ও বিভিন্ন সংগঠনের পদবানিজ্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন টেন্ডার কাজের নিয়ন্ত্রন করতো। আর এসব খাত থেকে ক্ষমতা অপব্যবহার করে অনিয়ম করে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন সে।

বান্দরবানের উন্নয়নকর্মী লেলুং খুমী জানান, ‘ওনাকে সহ যারা দূর্নীতিবাজ দূর্নীতির সাথে জড়িত রয়েছে তাদের সকলকে তদন্ত সাপেক্ষ আইনের আওতায় এনে উচিত শিক্ষা দেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি’।

দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, বান্দরবান জেলার সভাপতি অংচমং জানান, ‘বান্দরবানে সরকারের কোটি কোটি টাকা সরকারের বরাদ্ধ এসেছে, সে টাকাগুলো কোথায় গিয়েছে। আমরা অনেক জায়গা দেখেছি যেখানে যথাযথ ভাবে প্রকল্প হওয়ার কথা ছিল সেখানে মানসম্মত হওয়ার কথা ছিল আমরা সেভাবে প্রকল্প আদো পাইনি’।

দূর্নীতি, অর্থ পাচার, গুম, খুন, টেন্ডার বাণিজ্য, ভোট ডাকাতি, ভূমি দখল, বিরোধী দলের উপর দমন নিপীড়ন এবং খু*নী হাসিনার স্বৈরাচার কায়েমের প্রত্যক্ষ এবং অন্যতম সহযোগী ফ্যাসিস্ট বীর বাহাদুর এখনো কিভাবে বাড়িতে আরাম আয়েশে দিন কাটায় তা আশ্চর্যের বিষয়। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, বৈবিছাআ ও অন্যান্য ছাত্র জনতা তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় না আনায় ক্ষোভ জানিয়েছে।

জুলাইয়ের এতো শহীদ, শহিদ আবরাব ফাহাদ ও শহিদ উসমান হাদির রক্ত মাড়িয়ে এই মাফিয়া এখনো জামাই আদরে থাকতে পারে না। তাকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রেপ্তার করে তার সমস্ত অপরাধের কঠিন শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনের আগে তাকে গ্রেপ্তার না করলে পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের সাথে মিলে নির্বাচনকে বানচাল করতে পাহাড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে সে।

স্বরাষ্ট্র ও প্রধান উপদেষ্টার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি অতিদ্রুত যেন তাকে গ্রেপ্তার করে কঠিন বিচারের মুখোমুখি করা হয়। অন্যথায় এর পরিণাম ভালো হবে না, হারাতে হবে শহিদ হাদির মতো অন্য জুলাই যোদ্ধাদের।


কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৭৯
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৭৯

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং ও উঠতি বয়সী বখাটেদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের অভিযানে আরও ৩৭৯ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনা ও সরাসরি অংশগ্রহণে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট এবং গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এ অভিযান

৪ ঘন্টা আগে


২৩৫ ইউনিটের বিল ৫০৬ কোটি টাকা, শোকজ ৪ কর্মকর্তা
২৩৫ ইউনিটের বিল ৫০৬ কোটি টাকা, শোকজ ৪ কর্মকর্তা

মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৯৫৯ টাকার বিল পাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কম্পিউটার টাইপিংয়ের ভুলে অস্বাভাবিক এ বিল তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। মাগুরা সদর উপজেলার কেচুয়াডুবি গ্রামের মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসের বিদ্যুৎ বিলে ব্যবহারের পরিমাণ ২৩৫ ইউনিট...

৯ ঘন্টা আগে


মিরপুর-১০-এ ফুটপাত উচ্ছেদ ঘিরে ভাঙচুর, ৩ ময়লার গাড়িতে আগুন
মিরপুর-১০-এ ফুটপাত উচ্ছেদ ঘিরে ভাঙচুর, ৩ ময়লার গাড়িতে আগুন

রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সিটি করপোরেশনের তিনটি ময়লার গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। একটি ভেকু ও পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। মিরপুর মডেল থানার

৯ ঘন্টা আগে


দাড়ি নিয়ে যুবদল নেতা নয়নের কটাক্ষপূর্ণ স্লোগানের তীব্র নিন্দা
দাড়ি নিয়ে যুবদল নেতা নয়নের কটাক্ষপূর্ণ স্লোগানের তীব্র নিন্দা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, মুসলমানদের সুন্নাহ ও ধর্মীয় সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ দাড়ি নিয়ে বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের কটাক্ষপূর্ণ ও উসকানিমূলক স্লোগানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ২৭ সেপ্টেম্বর দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,...

২ দিন আগে

Dr.Mahfuzul Alom