আসনের হিসাব নয়, গণভোটের বার্তা নিয়েই নির্বাচনে এনসিপি: নাহিদ
অনলাইন ডেস্ক
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী ঘোষণা শুরু করলেও আসন জেতাই নির্বাচনের মূল লক্ষ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। এর ঠিক আগেই দলটি প্রথম ধাপে ১২৫টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমাদের লক্ষ্য যদি আসন জেতা হতো, তাহলে আমরা কোনো না কোনো জোটে ভিড়তাম। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আমরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি না।” তিনি ঢাকা–১১ আসন থেকে প্রার্থী হতে যাচ্ছেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণামতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণেরা গঠন করে এনসিপি, যারা শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।
“নির্বাচনী পরিবেশ পুরোপুরি সন্তোষজনক নয়”
নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, বিভিন্ন স্থানে তাদের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে এবং পোস্টারিং ও অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। তিনি অভিযোগ করেন, “আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গায় অস্ত্রের মহড়া হচ্ছে। বিএনপি–জামায়াত উভয় দল থেকেই এই সংস্কৃতি দেখা যাচ্ছে।”
তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান প্রার্থীদের খরচের হিসাব যথাযথভাবে যাচাই–বাছাই করার জন্য।
মাফিয়া ও ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন—অভিযোগ নাহিদের
বিভিন্ন দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, “বিভিন্ন জায়গায় মাফিয়াদের নমিনেশন দেওয়া হয়েছে, ঋণখেলাপিদের নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।”
নিজেদের প্রার্থী তালিকা সম্পর্কে নাহিদ ইসলাম বলেন, এনসিপির মনোনয়ন তালিকা হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক—নারী-পুরুষ, সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু ও বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে। মনোনীত কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিল করা হবে বলেও তিনি জানান।
“এই নির্বাচন গণভোট”—নাহিদ ইসলাম
নির্বাচনের তাৎপর্য উল্লেখ করে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, এবারকার নির্বাচন মূলত গণভোট। “প্রার্থী বা মার্কা নয়, এবার ভোটের প্রধান প্রশ্ন হচ্ছে হ্যাঁ অথবা না। আমরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি না—এটা পরিষ্কার।”
তিনি বলেন, জোটে গেলে আসন নিশ্চিত হতো, কিন্তু তা দলের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
এনসিপির জন্ম কেন
রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপি গঠনের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, গণ–অভ্যুত্থানের পর বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলো জনগণ ও তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা অনুযায়ী সংস্কার না করায় এনসিপির জন্ম হয়েছে।
তার ভাষায়, “আমরা সাত মাস অপেক্ষা করেছি। যদি তারা নিজেরা সংস্কার করত, আদর্শ ঠিক করত, দলাদলির বাইরে এসে জনগণের দাবি মেনে চলত, তাহলে এনসিপির প্রয়োজন হতো না। কিন্তু তারা তা করেনি, নিজেদের দলীয় এজেন্ডা নিয়েই ব্যস্ত ছিল।”
তিনি আরও বলেন, অন্য রাজনৈতিক দলগুলো গণভোট ও সংস্কার ইস্যু নিয়ে কথা না বলে কেবল নিজেদের এজেন্ডা নিয়ে প্রচার চালাচ্ছে।
নতুন কমিটি আসছে, দায়িত্ব ছাড়ার বার্তা ছাত্রদল সভাপতির
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব দায়িত্ব ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। নিজের রাজনৈতিক জীবনের ‘শ্রেষ্ঠ অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটতে চলেছে’ উল্লেখ করে তিনি দীর্ঘ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ায় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ছাত্রদলের আসন্ন নতুন কমিটিকে সাদরে গ্রহণ করার...
৫৯ মিনিট আগে
গণভোটের রায় কার্যকর হলে অলি আহমদই রাষ্ট্রপতি হতেন: জামায়াত
গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বিপুল ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) অলি আহমদের পক্ষে নির্বাচন কমিশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি
১৭ ঘন্টা আগে
ড. অলি আহমদ, বীর বিক্রমের পূর্ণ পরিচয় ব্যবহারের আহ্বান এলডিপির
দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এলডিপির প্রেসিডেন্টের নাম কখনো “অলি আহমদ”, আবার কখনো “কর্নেল অলি আহমদ” হিসেবে প্রকাশ করা হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে সংবাদমাধ্যমগুলোকে তাঁর পূর্ণ ও যথাযথ পরিচয় ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)।গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এলডিপির ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত এক আবেদনে সংবাদমাধ্যমের প্রতি এ অনুরোধ জানানো হয়।আবেদনে বলা হয়েছে,
২২ ঘন্টা আগে
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে ফের গতি, সাত সদস্যের কমিটি গঠন
বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় ফের গতি এসেছে। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন-২০২৫-এর প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দিতে সাত সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার।সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিটির প্রধান দায়িত্ব হবে পে-কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়ন করা।...
১ দিন আগে
