জাতীয়

৫ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

অনলাইন ডেস্ক

৭ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


দেশের বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

সোমবার রাজধানীর গুলশানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ফোরাম’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, অব্যবহৃত সরকারি জমি চিহ্নিত করে সেখানে বড় আকারে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার খালি জমি বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। যমুনা নদীর তীরবর্তী খাস জমিও এ পরিকল্পনার আওতায় আনা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, রেলওয়ে ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ অব্যবহৃত জমি রয়েছে, যা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে ব্যবহার করে বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদকদের বকেয়া, ডলার সংকট এবং জ্বালানি আমদানির উচ্চ ব্যয় বর্তমান সংকটকে জটিল করেছে। তিনি জানান, বিদ্যুৎ খাতে এখনো প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে এবং তেল আমদানির ব্যয় ২ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, জমির সংকট দীর্ঘদিন ধরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বড় বাধা ছিল। এ সমস্যা সমাধানে নতুন গাইডলাইন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ১৫–২০ বছরের জন্য সরকারি জমি বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে।

তিনি জানান, ফেনীর সোনাগাজীতে প্রথম পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে এবং ধাপে ধাপে বড় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-এর গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য শক্তির বিকল্প নেই। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সবুজ বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু সৌর প্রকল্পের অনুমোদন বাতিল হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom