বানিজ্য

রমজানে বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

১ মাস আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর দাম স্থিতিশীল রাখা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। বিশেষ করে রমজান মাসে এ দায়িত্বের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।

শুক্রবার সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, “আমরা যখন দায়িত্ব নিয়েছি, তখন রোজা সামনে রেখে বিশেষ কিছু করার সুযোগ ছিল না। তবে ইতিবাচক দিক হচ্ছে, আমাদের হাতে যে পরিমাণ খাদ্য মজুত রয়েছে, তা বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য পর্যাপ্ত।”

তিনি জানান, সরকার বাজার তদারকি জোরদার এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে কাজ করছে, যাতে রমজানজুড়ে নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে।

সিলেটের উন্নয়নে আইটি ও এআই অগ্রাধিকার

সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ নির্বাচনি প্রচারণা ও ইশতেহারে সিলেটবাসীর জীবনমান উন্নয়নের নানা পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইটি-সংশ্লিষ্ট পেশার প্রসার এবং একটি এআই সেন্টার প্রতিষ্ঠা বিশেষভাবে অগ্রাধিকার পাবে।

তিনি বলেন, “আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলো বড় বড় ডিজিটাল স্কিম গ্রহণ করেছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এআই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আমরা যদি পিছিয়ে থাকি, তাহলে বর্তমান বিশ্বে অন্যরা আমাদের প্রতি করুণার দৃষ্টিতে তাকাবে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন করতে হলে প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে হবে।”

মন্ত্রী আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি দিন কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক অবস্থানে এগিয়ে নিতে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে।

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ার উদ্যোগ

সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে তিনি বলেন, টেকসই কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। আর বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশাসনিক জটিলতা ও লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমানো, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতসহ সামগ্রিক সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, সিলেটে প্রবাসী ও দেশীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ নীতি-সহায়তা প্রয়োজন। সরকার এ বিষয়ে কাজ করছে এবং খুব শিগগিরই এর বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেটের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, রেঞ্জ ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom