আন্তর্জাতিক

রাশিয়ার ড্রোন কৌশল পাচ্ছে ইরান, দাবি পশ্চিমা গোয়েন্দাদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১ মাস আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত উন্নত ড্রোন কৌশল ইরানকে সরবরাহ করছে রাশিয়া-এমন দাবি করেছে এক পশ্চিমা গোয়েন্দা কর্মকর্তা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্রের মতে, ইরানের নকশায় তৈরি হলেও রাশিয়ায় ব্যাপকভাবে উৎপাদিত শাহেদ ড্রোন এখন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর লক্ষ্যবস্তুতে হামলায় ব্যবহৃত হচ্ছে। ইউক্রেন যুদ্ধে এই ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে রাশিয়া যে উন্নত লক্ষ্য নির্ধারণ কৌশল তৈরি করেছে, তা এখন ইরানের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, আগে ইরানকে মূলত গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা করা হলেও এখন বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। তার ভাষায়, ইউক্রেনে ব্যবহৃত ইউএএস (ড্রোন) লক্ষ্য নির্ধারণ কৌশলও এখন ইরানকে দেওয়া হচ্ছে।

তবে কী ধরনের নির্দিষ্ট কৌশলগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া প্রায়ই একসঙ্গে একাধিক শাহেদ ড্রোন ঢেউয়ের মতো পাঠিয়ে থাকে, যেগুলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়াতে উড্ডয়নের সময় বারবার দিক পরিবর্তন করে।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে রাশিয়ার সরকার ও ক্রেমলিন–এর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে সিএনএন।

অন্যদিকে ভলোদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছেন, রাশিয়া ইতোমধ্যে ড্রোনের মাধ্যমে ইরানের শাসনব্যবস্থাকে সহায়তা করছে। তার মতে, ভবিষ্যতে মস্কো ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাতেও সহায়তা করতে পারে।

এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে ড্রোন হামলা প্রতিরোধে অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে ইউক্রেন বিশেষজ্ঞ পাঠিয়েছে। জানা গেছে, একটি শাহেদ ড্রোনের দাম প্রায় ৩০ হাজার ডলার, আর সেটি মোকাবিলায় ইউক্রেন প্রায় ৫ হাজার ডলার মূল্যের ছোট ইন্টারসেপ্টর ড্রোন তৈরি করেছে, যা দ্রুত উৎপাদন করা সম্ভব।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom