আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন জাহাজের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২০ দিন আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করা মার্কিন জাহাজের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। শনিবার দেশটির সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র এ সতর্কবার্তা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি।

ইরানের ওই সামরিক কর্মকর্তা বলেন, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করা যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনও জাহাজের জায়গা হবে “সমুদ্রের তলদেশে”। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ঘোষণা দেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে শিগগিরই মার্কিন নৌবাহিনী পাহারা দেবে। এর পরপরই ইরানের পক্ষ থেকে এই হুমকি আসে।

একই দিনে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পাহারার পরিকল্পনার বিষয়টি তারা পর্যবেক্ষণ করছে। আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে বর্তমানে জাহাজ চলাচল অনেকটাই ব্যাহত হয়েছে।

আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, এই জলপথে মার্কিন বাহিনী উপস্থিত হলে তাদের ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে ইরানি বাহিনী।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী জানান, উপযুক্ত সময়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে মার্কিন নৌবাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এই ঘোষণার পর আইআরজিসির মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি বলেন, “আমরা তাদের উপস্থিতির অপেক্ষায় আছি।” তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ১৯৮৭ সালে মার্কিন সুপারট্যাঙ্কার ‘ব্রিজেটনে’ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এবং সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্যবস্তু হওয়া তেলবাহী জাহাজগুলোর কথা স্মরণ করা উচিত।

অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগ করেন, কেশম দ্বীপে অবস্থিত একটি পানিশোধন প্ল্যান্টে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র “পরিষ্কার ও বেপরোয়া অপরাধ” করেছে।

তিনি জানান, ওই প্ল্যান্টে লবণাক্ত পানিকে পানীয় জলে রূপান্তর করা হতো। হামলার ফলে আশপাশের অন্তত ৩০টি গ্রামের পানির সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ইরানের অবকাঠামোর ওপর এই ধরনের হামলাকে তিনি অত্যন্ত বিপজ্জনক পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন।

আরাঘচি বলেন, “এই ধরনের নজির যুক্তরাষ্ট্রই স্থাপন করেছে, ইরান নয়।”

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom