ক্যাম্পাস

ছাত্রদল নেতার ছত্রছায়ায় ছাত্রলীগ পুনর্বাসনের চেষ্টা, শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ

অনলাইন ডেস্ক

৩ দিন আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে ছাত্রদল নেতার ছত্রছায়ায় ছাত্রলীগ কর্মীদের আবাসিক হলে তোলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ও বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী হল-এ এ ঘটনা ঘটে। পরে প্রক্টরিয়াল বডি গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, রাতের দিকে হলের নিচতলার ‘খ’ ব্লকের ১০৯ নম্বর কক্ষে ছাত্রলীগের পাঁচ কর্মীকে তোলার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ ওঠে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর বাকৃবি শাখার সদস্য সচিব মো. শফিকুল রহমান শফিকের হস্তক্ষেপে এ প্রক্রিয়া চলছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে আবাসিক শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

রাত ১২টার পর শিক্ষার্থীরা হল প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ মিছিল করেন এবং অভিযুক্তদের হল থেকে বের করে দেওয়ার দাবি জানান। এ সময় ছাত্রদলের উপস্থিতিতে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে শিক্ষার্থীরা হল প্রভোস্টকে বিষয়টি জানান। প্রভোস্টের অনুমতিক্রমে রাত দেড়টার দিকে প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে যায়। তাদের গাড়িতে করে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে হল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়; বাকি দুজন আগেই হল ত্যাগ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল আলীম বলেন, হল প্রভোস্টের অনুমতি ছাড়া তারা হলে ওঠার চেষ্টা করেছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শফিকুল রহমান শফিক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ছাত্রলীগ নামধারীদের হলে তোলার সঙ্গে তার বা তার কর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে একটি মহল অনলাইনে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।

অন্যদিকে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক শরীফ-আর-রাফি বলেন, ‘গেস্টরুম কালচার’ ও র‌্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের হলে না তোলার বিষয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের যে সিদ্ধান্ত রয়েছে, তা বহাল আছে। অভিযোগের প্রমাণ পেলে হল প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

ঘটনার পর ক্যাম্পাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা ও ক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom