খেলাধুলা

বিশ্বসেরা হতে ইয়ামালের দরকার স্থায়ী বান্ধবী- অদ্ভুত মন্তব্য ফুত্রের

অনলাইন ডেস্ক

৩ মাস আগে


{news.title}

মাত্র ১৮ বছর বয়সেই যেখানে অধিকাংশ কিশোর ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে, সেখানে লামিনে ইয়ামাল সেই স্বপ্নকে বাস্তবতায় রূপ দিয়েছেন অনেক আগেই। বার্সেলোনা ও স্প্যানিশ ফুটবলের নতুন তারকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই তরুণ উইঙ্গার। অনেকের চোখে ইয়ামাল এখনই ‘নতুন রাজপুত্র’।

তবে সাফল্যের এই উড়ালপথ একেবারে নির্বিঘ্ন নয়। মাঠে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি মাঠের বাইরের জীবনও ইয়ামালকে টেনে নিচ্ছে আলোচনার কেন্দ্রে। ক্যারিয়ারের শুরুতেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন ও বিতর্কের মুখে পড়েছেন বার্সেলোনার এই প্রতিভাবান ফুটবলার।

কখনো স্প্যানিশ সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার অ্যালেক্স প্যাডিলার সঙ্গে নাম জড়ানো, আবার কখনো আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় পপ তারকা নিকি নিকোল—ইয়ামালকে ঘিরে আলোচনা থামেনি। সর্বশেষ খবর হলো, নিকি নিকোলের সঙ্গে তার সম্পর্ক আর টিকেনি। বিষয়টি ইয়ামাল নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

এই সম্পর্কের শুরুটা ছিল বেশ আলোচিত। গত জুলাইয়ে ইয়ামালের ১৮তম জন্মদিন উপলক্ষে নিকি নিকোল আর্জেন্টিনা থেকে বার্সেলোনায় আসেন। এরপর একাধিক ম্যাচে তাকে বার্সেলোনার স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে দেখা যায়। চ্যাম্পিয়নস লিগে গোল করার পর গ্যালারির দিকে ইয়ামালের উড়ন্ত চুম্বনের দৃশ্য তখন সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

সোশ্যাল মিডিয়াতেও দুজনের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ভ্রমণ, নৈশভোজ কিংবা অবকাশ যাপনের নানা মুহূর্তের ছবি ছড়িয়ে পড়ে অনলাইনে। এমনকি একটি ফ্যাশন অনুষ্ঠানে নিকি নিকোল প্রকাশ্যেই জানান, তিনি প্রেমে সুখী এবং ইয়ামালের কাছ থেকে কাতালান ভাষায় ‘ত এস্তিমো’—অর্থাৎ ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’—বলতে শিখেছেন।

কিন্তু অক্টোবরের দিকেই সেই গল্পে ছেদ পড়ে। স্প্যানিশ গণমাধ্যমে গুঞ্জন ওঠে, ইয়ামাল নাকি মিলানে গিয়ে অন্য কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এক ইতালিয়ান ইনফ্লুয়েন্সারের সঙ্গে তার নাম জড়ানো হয়। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে ইয়ামাল জানান, বিচ্ছেদের পেছনে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি নেই এবং তিনি একাই মিলানে গিয়েছিলেন।

এই ব্যক্তিগত টানাপোড়েনের মধ্যেই ইয়ামালকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন এসি মিলান ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সাবেক পর্তুগিজ তারকা পাউলো ফুত্রে। তার মতে, ইয়ামালের মধ্যে ভবিষ্যতের বিশ্বসেরা হওয়ার সব গুণ রয়েছে, তবে তার জন্য ব্যক্তিজীবনে স্থিরতা জরুরি।

একটি স্প্যানিশ টেলিভিশন অনুষ্ঠানে ফুত্রে বলেন, একজন দায়িত্বশীল ও স্থায়ী সঙ্গী থাকলে খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্ব বাড়ে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, জীবনে স্থায়িত্ব আসার পরই তার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন এসেছিল। ফুত্রের বিশ্বাস, মানসিক স্থিরতা থাকলে মাঠের বাইরের বিষয়গুলো খেলোয়াড়ের মনোযোগ নষ্ট করতে পারে না।

এখন প্রশ্ন একটাই—ইয়ামাল কি এই পরামর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তিজীবনে স্থায়িত্ব খুঁজবেন, নাকি তরুণ বয়সের স্বাধীনতাকে সঙ্গী করেই এগিয়ে যাবেন তার ফুটবলযাত্রায়? সময়ই দেবে সেই উত্তর।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom