খেলাধুলা

বিল ৬৫০ হলেও কর্মী পান ৩০০ টাকা, বিসিবির ‘দালালের’ পকেটে যায় ৩৫০!

অনলাইন ডেস্ক

১ দিন আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-এর অধীনে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম-এ পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পারিশ্রমিক নিয়ে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে এনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।

তিনি জানান, বিসিবি থেকে একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর জন্য প্রতিদিন ৬৫০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে কর্মীরা পাচ্ছেন মাত্র ৩০০ টাকা। বাকি ৩৫০ টাকা বিভিন্ন ধাপে ‘দালালচক্রের’ মাধ্যমে হাতবদল হয়ে যাচ্ছে।

তথ্য অনুযায়ী, টেন্ডারের মাধ্যমে দায়িত্ব পাওয়া প্রতিষ্ঠান বিসিবি থেকে অর্থ গ্রহণ করে। তারা জনপ্রতি ৫০০ টাকা দেওয়ার কথা বললেও সেই অর্থ সরাসরি কর্মীদের হাতে পৌঁছায় না। বরং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা বিসিবিরই কিছু কর্মচারী ওই টাকা থেকে প্রায় ২০০ টাকা কেটে রেখে দেন। ফলে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের হাতে শেষ পর্যন্ত থাকে মাত্র ৩০০ টাকা।

এ বিষয়ে তামিম ইকবাল বলেন, “গরিব শ্রমিকদের প্রাপ্য অর্থ থেকেও কেটে নেওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। যারা দিনমজুরি করে, তাদের টাকা খাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

এই অনিয়ম বন্ধে ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। টেন্ডারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি কর্মীদের ৫০০ টাকা করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, পারিশ্রমিক প্রদানের পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার ওপর জোর দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি।

এছাড়া ওভারটাইম ভাতা নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনেক ক্ষেত্রে কর্মীদের অ্যাকাউন্টে টাকা গেলেও তা ফেরত নিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে।

তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না এবং কঠোরভাবে মনিটরিং করা হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা দেশের ক্রীড়া প্রশাসনে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও অনিয়মের একটি চিত্র সামনে তুলে ধরেছে। এখন দেখার বিষয়-দোষীদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom