আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধ শেষের পথে, সমঝোতা স্মারকের চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২০ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ বন্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ। এক পৃষ্ঠার একটি সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সংঘাতের অবসান ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম –এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রাথমিক সমঝোতা হলে ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত করার প্রতিশ্রুতি দেবে। এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ অর্থ ছাড় এবং নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার পদক্ষেপ নিতে পারে।

সম্ভাব্য সমঝোতার মূল দিকগুলো

  • ইরান হরমুজ প্রণালিতে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেবে

  • যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে

  • ইরানের বিলিয়ন ডলারের জব্দ অর্থ ছাড় দেওয়া হতে পারে

  • ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার রূপরেখা তৈরি হবে

এছাড়া একটি ৩০ দিনের আলোচনার সময়সীমা নির্ধারণের কথাও বলা হয়েছে, যেখানে চূড়ান্ত চুক্তির বিস্তারিত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে। সম্ভাব্য আলোচনাস্থল হিসেবে ইসলামাবাদ বা জেনেভার নাম উঠে এসেছে।

অনিশ্চয়তা এখনো রয়ে গেছে

যদিও উভয় পক্ষ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি কাছাকাছি এসেছে, তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সম্মতি হয়নি। মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করছেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বে বিভক্তি থাকায় সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কঠিন হতে পারে।

পারমাণবিক ইস্যুতে দর-কষাকষি

  • ইরান কত বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখবে-তা নিয়ে আলোচনা চলছে (প্রস্তাব ১২–১৫ বছর)

  • ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকার করতে পারে

  • আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা–কে প্রবেশাধিকার দেওয়ার বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে

ঝুঁকি এখনো কাটেনি

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমঝোতা চূড়ান্ত চুক্তির ওপর নির্ভরশীল। আলোচনা ভেস্তে গেলে আবারও সামরিক উত্তেজনা বাড়তে পারে।

সব মিলিয়ে, কূটনৈতিক অগ্রগতি হলেও পরিস্থিতি এখনো নাজুক-যেখানে একটি চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাত ঠেকাতে পারে, আবার ব্যর্থতা নতুন করে সংকট গভীর করতে পারে।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom