আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশের নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে’ সম্পৃক্ততার অভিযোগ নাকচ ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৬ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


বাংলাদেশের নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে’ ভারতের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। তিনি বলেন, অতীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারের সঙ্গে কাজ করলেও নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা কারচুপির সঙ্গে ভারতের জড়িত থাকার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

সোমবার (৬ মে ২০২৬) নয়াদিল্লিতে সফররত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিস্তা, গঙ্গা ও দ্বিপাক্ষিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি, গঙ্গা চুক্তির নবায়ন, ভিসা নীতি, জ্বালানি সহযোগিতা, আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্যসহ নানা বিষয় উঠে আসে।

বিক্রম মিশ্রি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান, আস্থা ও স্বার্থের ভারসাম্যের ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের জনগণের কল্যাণই এই সম্পর্কের মূল লক্ষ্য।

নির্বাচন ও রাজনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে অবস্থান

বাংলাদেশের নির্বাচনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণই তাদের নেতৃত্ব নির্বাচন করবে-এটাই ভারতের অবস্থান ও প্রত্যাশা।”

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কোনো একক রাজনৈতিক দলের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক।

যোগাযোগ ও কূটনৈতিক অগ্রগতি

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ কিছুটা শ্লথ ছিল বলে স্বীকার করেন তিনি। তবে ভারত সেই সময়েও যোগাযোগ বজায় রাখার চেষ্টা করেছে বলে দাবি করেন বিক্রম মিশ্রি।

তিনি ২০২৪ সালে তার ঢাকা সফর এবং ২০২৫ সালে ব্যাংককে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠকের কথাও উল্লেখ করেন।

বর্তমানে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ পুনরায় শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক প্ল্যাটফর্ম পুনরায় সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন।

ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ইঙ্গিত

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাণিজ্য বৃদ্ধি, ভিসা সহজীকরণ এবং সম্ভাব্য সিপা (CEPA) চুক্তি নিয়ে উভয় দেশই আগ্রহী। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোই ভবিষ্যৎ সম্পর্কের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom