আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের সফরের পরই বেইজিংয়ে পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৯ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


যুক্তরাষ্ট্রের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর রাজনীতির আলোচিত চীন সফরের মাত্র চারদিকের সফরে সফরে রাশিয়ার প্রার্থী ভ্লাদিমির পুতিন। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের, এই সফর শুধু কূটনৈতিক সৌজন্য নয়; সম্প্রীতি জ্বালানি বাণিজ্য, ইউক্রেন যুদ্ধ-পরবর্তী বৈশ্বিক মেরুকরণ এবং মধ্যপ্রাচ্যকে রাজনৈতিক নতুন ভূরাজনীতি সমীকরণের গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত মুসলিম করছে।

সকালের রাত স্থানীয় সময় ১১টা ১৫ মিনিটে পুতিনকে সমর্থনকারী বিমান বেইজিং আন্তর্জাতিক আয়োজন করে। সেখানে তাকে অভ্যর্থনা জানান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ি। রুশ প্রার্থীকে স্বাগত জানাতে যে মন্তব্য করা হয়, তা অনেকটাই উত্তরের চেষ্টার অনুরূপ ছিল।

গত ১৩ মে বেজিং সফরে যুবকে লালগালিচা সংবর্ধনা, গ্রুপের সঙ্গীত পরিবেশন এবং তাদের ‘স্বাগতম’ স্লোগানে অভ্যর্থনা করা হয়েছিল। পুতিনের ক্ষেত্রেও প্রায় কূট রাজনৈতিক উষ্ণতা প্রদর্শন করেছে চীন। বিশ্লেষকটনদের বক্তব্য, এটির পাশাপাশি মস্কোর সঙ্গেও বেইজগিং ওয়াশল কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে ইঙ্গিত।

ইউক্রেন যুদ্ধের পর ঘনিষ্ঠ হয়েছে মস্কো-বেইজিং

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার লড়াই শুরুর পর পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে মস্কোর দূরত্ব বাড়তে থাকে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞার ব্যাখ্যা তখন চীনের সঙ্গে রাশিয়ার অর্থনৈতিক ও কূট নীতি সম্পর্ক আরও গভীর হতে শুরু করে।

চীনের পররাষ্ট্র সহযোগিদের মুখপাত্র গুও ​​জিয়াকুন বর্তমান দুই দেশের সম্পর্ককে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে “নশীল ও বন্ধুত্বপূর্ণ” সম্পর্ক একটি মধ্যকার উল্লেখ করেছেন। সফরের আগে দেওয়া বার্তায় পুতিন বলেন, ভিডিও রাশিয়াচীন সম্পর্ক এখন “অভিভাবনীয় উচ্চারণ” যোগাযোগ করেছে।

রুশ পাসের কার্যালয় ক্রেলিন বিপণন, সফরের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইজুতে চীনের প্রতীক শি জিনপিং-এর সাথে মতবিনিময়।

তেল ও মধ্যপ্রাচ্য: সফরের নেপথের বড় কারণ

বিশ্লেষকদের, সফরের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু শক্তিনি। চায়না বিশ্বের অপরিশোধিত তেল সবচেয়ে বড়কারক দেশগুলির একটি এবং রুশ তেলেরও প্রধান নির্বাচন।

আবারও ওয়াশিংটনে ফেরত চান, চায়না তাদের শক্তির চাহিদা পূরণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল নিতে সমর্থন করা হয়েছে। এখন রাশিয়ার জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ইন্টারন্যাশনাল থিয়্যাঙ্ক এশিয়া সোসাইটি-এর পরিচালক লায়েল মরিসের বক্তব্য, পুনের সফরের যথার্থ বড় অংশ রয়েছে- রুশ তেল নিশ্চিত করা এবং মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে চীনের অবস্থান কারণ।

নৈপুণ্য, মধ্যপ্রাচ্যের শান্তির অস্থিরতা, গভীর ইস্যু এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে শক্তিভারসাম্য নিয়ে বেইজিং ভবিষ্যৎ ভূমিকা জানতে তার আলাদা মস্কো। বিশেষ করে নেওয়ার সাম্প্রতিক ইঙ্গিত লেখক, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত নিরসন চীনকে আরও সক্রিয় ভূমিকা দেখতে চায় ইউএস।

নতুন বৈশ্বিক মেরুকরণের ইঙ্গিত?

বিশ্লেষক বলেছেন, আবার ও পুন-ব্যবহার পরপর বেইজিং সফর আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে চীনের অবস্থানকে আরও দেখতে পাচ্ছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের চীনের চেষ্টার সঙ্গে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সম্পর্ক পুনর্বিন্যাস করছে, পশ্চিমা চাপের রাশিয়া আরও গভীরভাবে চীনের দিকে ঝুঁকছে।

ফলে বেইজ এখন কেবল এশিয়া নয়, বৈশ্বিক শক্তি ভারসাম্যে কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে— যেখানে বিদ্যুৎ, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ও মধ্যপ্রাচ্য প্রশ্নে সামনের গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ হতে পারে।

Dr.Mahfuzul Alom