আন্তর্জাতিক

তথ্য দিতে অস্বীকৃতি: ২১ অঙ্গরাজ্যের এসএনএপি তহবিল বন্ধের হুমকি ট্রাম্প প্রশাসনের

অনলাইন ডেস্ক

৩ মাস আগে


{news.title}

যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল খাদ্যসহায়তা কর্মসূচি (এসএনএপি বা ফুড স্ট্যাম্প)–এর সুবিধাভোগীদের ব্যক্তিগত তথ্য ফেডারেল সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানানো অঙ্গরাজ্যগুলোর তহবিল বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মঙ্গলবার কৃষিমন্ত্রী ব্রুক রোলিন্স এ হুমকি দেন।

ডেমোক্র্যাট সমর্থিত ২১ অঙ্গরাজ্য ও ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া এই নির্দেশনার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আইনি লড়াই শুরু করেছে।

কৃষিমন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি

মার্কিন মন্ত্রিসভার বছরের শেষ বৈঠকে ব্রুক রোলিন্স জানান, ইউএসডিএ এসএনএপি সুবিধাভোগীদের সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর, জন্মতারিখ, বাড়ির ঠিকানাসহ অন্যান্য পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য অঙ্গরাজ্যগুলোর কাছ থেকে চাইছে। এতে সম্ভাব্য জালিয়াতি চিহ্নিত করা এবং করদাতাদের অর্থ সুরক্ষার উদ্দেশ্য রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

রোলিন্স বলেন,
“আমরা প্রথমবারের মতো সব অঙ্গরাজ্যকে তথ্য-উপাত্ত দেওয়ার অনুরোধ করেছি। জালিয়াতি বন্ধ করতে এবং প্রকৃত যোগ্য সুবিধাভোগীরা যেন ফুড স্ট্যাম্প পায়, তা নিশ্চিত করতে এই তথ্য প্রয়োজন।”

তিনি আরও জানান, রিপাবলিকান ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ২৯ অঙ্গরাজ্য ইতিমধ্যে তথ্য দিতে সম্মত হয়েছে। তবে ক্যালিফোর্নিয়া, নিউইয়র্ক, মিনেসোটাসহ ডেমোক্র্যাট-সমর্থিত ২১ অঙ্গরাজ্য এখনো অস্বীকৃতি জানিয়ে যাচ্ছে।

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ

সমালোচকদের মতে, এসএনএপি সুবিধাভোগীদের ব্যক্তিগত তথ্য কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে গেলে গোপনীয়তা লঙ্ঘনের শঙ্কা তৈরি হবে। এসব উদ্বেগ নিয়েই ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত অঙ্গরাজ্যগুলো আদালতে মামলা করেছে।

ফেডারেল তহবিল বন্ধের ঘোষণা

রোলিন্স স্পষ্ট ভাষায় বলেন,
“আগামী সপ্তাহ থেকে আমরা নির্দেশনা না মানা অঙ্গরাজ্যগুলোর ফেডারেল তহবিল বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু করব।”

এর ফলে ওই অঙ্গরাজ্যগুলোর এসএনএপি সুবিধাভোগীরা ফেডারেল সহায়তা না পাওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

এসএনএপি কর্মসূচি সম্পর্কে

২০২৪ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৪ কোটি ১৭ লাখ মানুষ এসএনএপি সুবিধার ওপর নির্ভর করেছেন, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ১২ শতাংশ। নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে স্বল্পমূল্যে খাদ্য কেনার সুযোগ করে দেয় এ কর্মসূচি।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom