রাজনীতি

নির্বাচিত সরকার আসার পর হঠাৎ করেই সবার সব দাবি পূরণ হয়ে গেল, আর কোন যমুনা ঘেরাও হয়না-শফিকুল আলম

অনলাইন ডেস্ক

১১ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


নির্বাচিত সরকার আসার পর হঠাৎ করেই সবার সব দাবি পূরণ হয়ে গেল, আর কোন যমুনা ঘেরাও হয়না-শফিকুল আলম

তিনি যেটা উল্লেখ করেছেন, তা হলো নির্বাচনের পর রাজনৈতিক আন্দোলনের দৃশ্যপট বদলে গেছে। আগে যেখানে নিয়মিত প্রতিবাদ, যমুনা বা অন্যান্য কেন্দ্রে ঘেরাও-ধর্নার ঘটনা লক্ষ্য করা যেত, এখন সেই তীব্রতা অনেকটাই নীরব। এটি কিছুটা বোঝায় যে, মানুষ বা রাজনৈতিক দলগুলো হয়তো নতুন নির্বাচিত সরকারের প্রতি অপেক্ষা করছে-দেখছে সরকার কি ধরনের কর্মকৌশল নেবে, কিংবা নির্বাচনের ফলাফল স্বীকৃত হয়েছে কিনা। আবার, এই নীরবতা কখনও কখনও রাজনৈতিক হতাশা বা নিরাপত্তাজনিত কারণে মানুষজন সরাসরি আন্দোলনে নামতে চাইছে না, এমন ইঙ্গিতও হতে পারে।

শফিকুল আলমের প্রশ্ন-“এই নীরবতা কি সন্তুষ্টির, নাকি অন্য কিছুর ইঙ্গিত?”-একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ। এটি প্রমাণ করে যে, জনমতের দিক থেকে মানুষ নিশ্চয়ই সরাসরি না হলেও ভাবতে শুরু করেছে-নতুন সরকার কতোটা কার্যকর হবে, তাদের দাবি কতটা মানা হবে। রাজনৈতিক নীরবতা প্রায়ই দুই অর্থ বহন করে:

একটি সন্তুষ্টি বা স্বীকৃতি, যেখানে মানুষ মনে করে সরকার কিছুটা সঠিকভাবে কাজ করছে।

অন্যটি সচেতন আত্মসংযম, যেখানে মানুষ পর্যবেক্ষণ করছে, কোন পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, বা কখন আবার আন্দোলন প্রয়োজন হবে।

সারসংক্ষেপে, শফিকুল আলমের মন্তব্য মূলত নির্বাচিত সরকারের কার্যক্রমের ওপর নজর রাখার আহ্বান। এটি একটি সচেতন রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, যা প্রকাশ করছে-সাধারণ জনগণ বা রাজনৈতিক দলগুলো এখনও তাদের দাবি বা প্রতিবাদের ধারা পুরোপুরি বন্ধ করেনি, বরং তারা নতুন সরকারের কর্মপদ্ধতির ওপর নিরীক্ষণ চালাচ্ছে।

আপনি চাইলে আমি এটি আরও গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে দেখাতে পারি-কী কারণে সাধারণ মানুষ এখন রাস্তায় কম আসে এবং এর রাজনৈতিক প্রভাব কি হতে পারে। আপনি কি চাইবেন আমি সেই বিশ্লেষণ করি?

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom