রাজনীতি

ঝালকাঠি জয় না পেলেও জামায়াতের ভোট বৃদ্ধি পেয়েছে বহু গুণ

অনলাইন ডেস্ক

৫ মাস আগে


ঝালকাঠি জয় না পেলেও জামায়াতের ভোট বৃদ্ধি পেয়েছে বহু গুণ

ছবি: সংগৃহীত


ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ ও ঝালকাঠি-২ আসনে জয়ী হতে না পারলেও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোট স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দুটি আসনেই তারা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। তবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোটের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দলটির নেতাকর্মীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ঝালকাঠি-১: হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

ঝালকাঠি-১ আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করে ড. ফয়জুল হককে মনোনয়ন দেওয়ার পর থেকেই দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে জনসমর্থন বাড়তে থাকে। নির্বাচনে তিনি পান ৫৫ হাজার ১২০ ভোট। অপরদিকে বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল পান ৬২ হাজার ১০ ভোট। মাত্র ৬ হাজার ৮৯০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন জামায়াত প্রার্থী।

ঐতিহাসিকভাবে এ আসনে জামায়াতের ভোট ছিল খুবই কম। ১৯৯১ সালে দলটির প্রার্থী পান ১ হাজার ৮৬০ ভোট এবং ১৯৯৬ সালে পান ৯২৫ ভোট। সেই তুলনায় ২০২৬ সালে ভোট বেড়ে ৫৫ হাজার ছাড়ানোকে দলটির নেতারা বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন।

ঝালকাঠি-২: ব্যবধান বড়, তবে ভোটও বেড়েছে

ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থী শেখ নেয়ামুল করিম পান ৭০ হাজার ৫৫৬ ভোট। বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো’র সঙ্গে তার ব্যবধান প্রায় ৪৪ হাজার ভোট।

তবে ঝালকাঠি পৌরসভায় দুই দলের ব্যবধান ছিল মাত্র ১ হাজার ৪৪২ ভোট। এখানে বিএনপি পায় ১১ হাজার ৪৯৬ ভোট এবং জামায়াত পায় ১০ হাজার ৫৪ ভোট। কয়েকটি কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক প্রথম স্থানেও ছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ফলাফল ভবিষ্যৎ পৌর নির্বাচনে জামায়াতকে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখতে পারে।

সাংগঠনিক বাস্তবতা ও সীমাবদ্ধতা

জেলা পর্যায়ে জামায়াতের সাংগঠনিক অবস্থান ঐতিহাসিকভাবে দুর্বল বলে জানা যায়। জেলার ৩২টি ইউনিয়নের কোথাও এখনো দলটির জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়নি; কেবল ঝালকাঠি পৌরসভার একটি ওয়ার্ডে একবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিল।

এবারের নির্বাচনে সব কেন্দ্রে এজেন্ট দিতে পারলেও কিছু কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নির্বাচন পরিচালনায় সমন্বয় ঘাটতি ও প্রচারে দেরির বিষয়টিও দলের ভেতরে আলোচনায় এসেছে।

জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বলেন, জাতীয়ভাবে দলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি, প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অভিযোগ না থাকা এবং তৃণমূল পর্যন্ত সংগঠন বিস্তৃত হওয়ার কারণেই ভোট বেড়েছে। তবে বিভিন্ন কেন্দ্রে এজেন্ট বের করে দেওয়া ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ভীতির অভিযোগের কারণেই জয় সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

সব মিলিয়ে, জয় না পেলেও ভোটের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিকে জামায়াত নেতাকর্মীরা ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য সম্ভাবনাময় ভিত্তি হিসেবে দেখছেন।

 


নতুন কমিটি আসছে, দায়িত্ব ছাড়ার বার্তা ছাত্রদল সভাপতির
নতুন কমিটি আসছে, দায়িত্ব ছাড়ার বার্তা ছাত্রদল সভাপতির

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব দায়িত্ব ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। নিজের রাজনৈতিক জীবনের ‘শ্রেষ্ঠ অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটতে চলেছে’ উল্লেখ করে তিনি দীর্ঘ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ায় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ছাত্রদলের আসন্ন নতুন কমিটিকে সাদরে গ্রহণ করার...

৬ ঘন্টা আগে


গণভোটের রায় কার্যকর হলে অলি আহমদই রাষ্ট্রপতি হতেন: জামায়াত
গণভোটের রায় কার্যকর হলে অলি আহমদই রাষ্ট্রপতি হতেন: জামায়াত

গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বিপুল ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) অলি আহমদের পক্ষে নির্বাচন কমিশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি

২২ ঘন্টা আগে


ড. অলি আহমদ, বীর বিক্রমের পূর্ণ পরিচয় ব্যবহারের আহ্বান এলডিপির
ড. অলি আহমদ, বীর বিক্রমের পূর্ণ পরিচয় ব্যবহারের আহ্বান এলডিপির

দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এলডিপির প্রেসিডেন্টের নাম কখনো “অলি আহমদ”, আবার কখনো “কর্নেল অলি আহমদ” হিসেবে প্রকাশ করা হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে সংবাদমাধ্যমগুলোকে তাঁর পূর্ণ ও যথাযথ পরিচয় ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)।গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এলডিপির ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত এক আবেদনে সংবাদমাধ্যমের প্রতি এ অনুরোধ জানানো হয়।আবেদনে বলা হয়েছে,

১ দিন আগে


নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে ফের গতি, সাত সদস্যের কমিটি গঠন
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে ফের গতি, সাত সদস্যের কমিটি গঠন

বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় ফের গতি এসেছে। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন-২০২৫-এর প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দিতে সাত সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার।সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিটির প্রধান দায়িত্ব হবে পে-কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়ন করা।...

১ দিন আগে

Dr.Mahfuzul Alom