আন্তর্জাতিক

হার স্বীকার নয়, পদত্যাগেও না-মমতার কড়া অবস্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন-তার দল তৃণমূল কংগ্রেস ‘হারেনি’, তাই পদত্যাগের প্রশ্নই ওঠে না।

মঙ্গলবার কলকাতা-র কালীঘাটের বাসভবনে দলীয় শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি। জোর করে ভোট লুট করা হয়েছে।”

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে ভারতের নির্বাচন কমিশন-কে ‘ভিলেন’ হিসেবে অভিহিত করেন। তার দাবি, কমিশনের সহায়তায় ১০০টির বেশি আসন ‘লুট’ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “ওরা (ভারতীয় জনতা পার্টি) এমনি জিতলে আমার কোনো আপত্তি থাকত না। কিন্তু তা হয়নি-ভোট লুট করা হয়েছে।”

রাস্তায় নামার ঘোষণা

দলীয় নেতাকর্মীরা তার পাশে আছেন উল্লেখ করে মমতা জানান, তিনি রাজপথে আন্দোলনে নামবেন। “আমি রাস্তায় ছিলাম, রাস্তায় থাকব। সব অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করব,”-বলেন তিনি।

সাংবিধানিক বাস্তবতা

রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে-পদত্যাগ না করলে কী হবে? বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৭ মে। সে পর্যন্ত তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন। তবে মেয়াদ শেষ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তার পদ শেষ হবে, ইস্তফা না দিলেও তিনি ‘সাবেক’ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিবেচিত হবেন।

উল্লেখ্য, অতীতে ২০১১ সালে নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য রাজভবনে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছিলেন-যা রাজনৈতিক শিষ্টাচারের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

সমর্থন ও ভবিষ্যৎ কৌশল

এদিকে বিরোধী জোটের কয়েকজন শীর্ষ নেতা-যেমন সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, উদ্ধব ঠাকরে, অখিলেশ যাদব ও হেমন্ত সোরেন-তার সঙ্গে যোগাযোগ করে সমর্থন জানিয়েছেন বলে দাবি করেন মমতা।

তবে পরবর্তী রাজনৈতিক কৌশল এখনই প্রকাশ করতে চান না তিনি। তার ভাষায়, “এখনই সব বলা হবে না-সময় এলে জানানো হবে।”

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom