আন্তর্জাতিক

হাদি হত্যায় সন্দেহভাজনদের ভারতে থাকার তথ্য ভিত্তিহীন: বিএসএফ–পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক

৩ মাস আগে


{news.title}

ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই প্রধান সন্দেহভাজন ভারতে প্রবেশ করেছে—ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এমন দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে ভারতের মেঘালয় রাজ্য পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, এ ধরনের তথ্য বিভ্রান্তি তৈরি করছে এবং সন্দেহভাজনদের মেঘালয়ে প্রবেশের কোনো প্রমাণ নেই।

বিএসএফের মেঘালয় ফ্রন্টিয়ারের মহাপরিদর্শক ওপি উপাধ্যায় বলেন, ‘হালুয়াঘাট সেক্টর দিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে এসব ব্যক্তি মেঘালয়ে প্রবেশ করেছে—এমন কোনো প্রমাণ নেই। বিএসএফ এ ধরনের কোনো ঘটনা শনাক্ত বা রিপোর্ট করেনি। এই দাবিগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।’

মেঘালয় পুলিশ সদর দপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ করা হয়নি। প্রতিবেদনে উল্লেখিত নামের কোনো অভিযুক্তকে গারো পাহাড় এলাকায় খুঁজে পাওয়া যায়নি এবং কাউকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঢাকার পুলিশের সঙ্গে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সহযোগিতা অব্যাহত থাকলেও বর্তমানে এমন কোনো তথ্য বা প্রমাণ নেই যে, সন্দেহভাজনরা মেঘালয়ে অবস্থান করছে।

এর আগে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডটি পূর্বপরিকল্পিত এবং ফয়সাল করিমসহ আরও একজন ময়মনসিংহ সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছে। তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ছয় জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আগামী সাত থেকে আট দিনের মধ্যে মামলার চার্জশিট দাখিল করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেলে এসে ফয়সাল করিম ও তার অজ্ঞাত পরিচয় সহযোগী ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়, যেখানে ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় প্রথমে হত্যাচেষ্টার মামলা হলেও পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজন করা হয়।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom