রাজনীতি

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপিতে ৫০০’র বেশি আবেদন

অনলাইন ডেস্ক

৭ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে ৫০০’র বেশি আবেদন জমা পড়েছে। দেশের প্রায় প্রতিটি জেলা থেকে এসব আবেদন এসেছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

দলটির নয়াপল্টন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত কোনো ফরম না থাকায় আগ্রহীরা সাদা কাগজে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।

এতে দলীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার বিবরণ, মিছিল-মিটিংয়ে অংশগ্রহণের তথ্য ও ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে। আবেদনগুলো দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর বরাবর জমা দেওয়া হয়েছে।

দলীয় একাধিক কর্মকর্তা জানান, গত ১৬ মার্চ পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই ৫০০’র বেশি আবেদন জমা পড়ে, যা দলীয়ভাবে একটি রেকর্ড। এসব আবেদন হাইকমান্ডের কাছে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।

মনোনয়নপ্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে দলীয় শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন বলে জানা গেছে। কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিজেদের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন, এমনকি ‘পেইড’ প্রচারের মাধ্যমেও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন।

দলীয় সূত্র জানায়, নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। বিশেষ করে মহিলা দল ও ছাত্রদল থেকে উঠে আসা নেত্রীরা এ দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। তবে দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, এখনো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন চূড়ান্ত হতে ঈদুল ফিতর-এর পর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে মোট ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে। নির্বাচনী আইনের বিধান অনুযায়ী, সাধারণ আসনে দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে এসব আসন বণ্টন করা হয়। এবারের নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়ী হওয়ায় দলটি সর্বোচ্চ ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১টি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) একটি আসন পেতে পারে। অবশিষ্ট তিনটি আসন স্বতন্ত্র ও ছোট দলগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হবে।

আইন অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। নির্বাচন কমিশন এ জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে মনোনয়ন, যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহার ও ভোটের সময়সূচি নির্ধারণ করবে।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে ৮৬ জন নারী প্রার্থী অংশ নেন, যার মধ্যে জয়ী হয়েছেন সাতজন। সংরক্ষিত আসনগুলো যুক্ত হলে সংসদে নারী সদস্য সংখ্যা দাঁড়াবে ৫৭ জন, যা মোট ৩৫০ সদস্যের প্রায় ১৬ শতাংশ।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom