খেলাধুলা

ঋতুপর্ণা চাকমাকে নিয়ে সতর্ক উত্তর কোরিয়ার কোচ

অনলাইন ডেস্ক

৪ দিন আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


নারী এএফসি নারী এশিয়ান কাপ-এর ‘বি’ গ্রুপে কঠিন সব প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ নারী জাতীয় ফুটবল দল। এই গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চীন নারী জাতীয় ফুটবল দল এবং সাবেক চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়া নারী জাতীয় ফুটবল দল। ১২ দলের এই আসরে ফিফা র‍্যাংকিংয়ে সবচেয়ে এগিয়ে উত্তর কোরিয়া, তাদের অবস্থান সপ্তম।

বাংলাদেশের পরের ম্যাচ উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে উত্তর কোরিয়ার কোচ রি সন হো বাংলাদেশের প্রশংসা করলেও কয়েকজন আক্রমণভাগের খেলোয়াড়কে নিয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছেন।

এবারই এশিয়ান কাপে অভিষেক হয়েছে বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচে চীনের বিপক্ষে লড়াকু পারফরম্যান্স দেখিয়েছে কোচ পিটার বাটলার-এর দল। সেই ম্যাচ দেখে বাংলাদেশের শক্তিমত্তা আগের ধারণার চেয়েও বেশি মনে হয়েছে উত্তর কোরিয়ার কোচের।

রি সন হো বলেন, “আমার মনে হয়েছে বাংলাদেশ দল আমি যতটা ভেবেছিলাম তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। তাদের আক্রমণভাগ খুব দ্রুত। বিশেষ করে রক্ষণ থেকে আক্রমণে তারা বেশ দক্ষ এবং তীক্ষ্ণ। সাধারণভাবে বলতে গেলে বাংলাদেশ খুব দ্রুতগতির দল। তাই আগামী ম্যাচে আমাদের রক্ষণভাগকে অনেক বেশি মনোযোগী হতে হবে।”

বাংলাদেশের বিপজ্জনক খেলোয়াড়দের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আক্রমণভাগের তিনজন খেলোয়াড়কে তিনি সবচেয়ে বিপজ্জনক মনে করেন। এর মধ্যে বিশেষ করে ১৭ নম্বর জার্সিধারী ঋতুপর্ণা চাকমা-র কথা উল্লেখ করেন তিনি, যিনি বাম প্রান্ত দিয়ে খুব দ্রুত আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেন।

চীনের বিপক্ষেও বাংলাদেশের আক্রমণভাগ একাধিকবার প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করেছিল। ম্যাচের ১৪ মিনিটে ঋতুপর্ণা চাকমা দ্রুত বল কেড়ে নিয়ে দূর থেকে শক্তিশালী শট নেন। সেটি গোল হলে টুর্নামেন্টের সেরা গোলগুলোর একটি হওয়ার মতো ছিল।

যদিও ঋতুপর্ণার জার্সি নম্বর উল্লেখ করেছেন, তবে বাকি দুই আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ের নাম স্পষ্ট করেননি উত্তর কোরিয়ার কোচ। তবে বাংলাদেশের গতি নিয়ে তার উদ্বেগ স্পষ্ট।

তিনি বলেন, “তাদের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের গতি অনেক বেশি। আক্রমণ ও রক্ষণ-দুই ক্ষেত্রেই এই গতি আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। তাই ম্যাচে এই খেলোয়াড়দের ঠেকাতে আমাদের রক্ষণভাগকে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।”

১২ দলের এই টুর্নামেন্টে তিনটি গ্রুপ রয়েছে। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দলের পাশাপাশি তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা দুই দল উঠবে কোয়ার্টার ফাইনালে। আগামী ম্যাচে জয় পেলে চীন ও উত্তর কোরিয়া-দুই দলেরই শেষ আটে ওঠা প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে। তখন তাদের মধ্যকার শেষ ম্যাচটি হবে গ্রুপসেরা নির্ধারণের লড়াই।

বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার ম্যাচ খুব একটা হয় না। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ঢাকা আবাহনী ক্লাব এপ্রিল ২৫ স্পোর্টস ক্লাব-এর বিপক্ষে খেলেছিল। প্রায় ছয় বছর পর আবার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দুই দেশের দল।

এই প্রসঙ্গে রি সন হো বলেন, “পূর্ব এশিয়ার তুলনায় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফুটবলের মান আগে অনেক নিচে ছিল। কিন্তু এখন আমি দেখতে পাচ্ছি বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলের দলগুলো খুব দ্রুত উন্নতি করছে। গতকালের ম্যাচ দেখে মনে হয়েছে, বাংলাদেশ দল অনেক বড় এবং দ্রুত উন্নতি করেছে। এখন তারা এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দল হয়ে উঠছে।”

 

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom