জাতীয়

ঈদে অস্থির মসলার বাজার, দাম বেড়েছে বহু গুণ

অনলাইন ডেস্ক

২২ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীর মসলার বাজারে বেড়েছে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। এক মাসের ব্যবধানে পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচামরিচ, জিরা ও জিরার গুঁড়াসহ বেশ কয়েকটি মসলার দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বাড়তি চাপের মুখে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

শনিবার রাজধানীর রামপুরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, কেজিপ্রতি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, দেশি রসুন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ১৪০ টাকায়। এছাড়া আমদানি করা চীনা রসুন ১৮০ টাকা, তেজপাতা ১৮০ থেকে ২২০ টাকা এবং আদা ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মসলার মধ্যে ধনিয়ার গুঁড়া বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৮০ টাকা, হলুদ গুঁড়া ৪০০ টাকা, শুকনো মরিচ গুঁড়া ৫০০ টাকা এবং দারুচিনি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়। এছাড়া জিরা ৭০০ টাকা, জিরার গুঁড়া ৮০০ টাকা, লবঙ্গ ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং এলাচ ৪ হাজার ৬০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে দুই লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ টাকায়, যা এপ্রিল মাসের তুলনায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেশি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদকে সামনে রেখে মসলার চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় পাইকারি বাজারেই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি আমদানি ব্যয় ও পরিবহন খরচ বাড়ার প্রভাবও খুচরা বাজারে পড়েছে।

রামপুরা বাজারের এক মসলা ব্যবসায়ী রুবেল হাসান বলেন,
“ঈদের সময় জিরা, মরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ ও গরম মসলার চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। আমাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।”

তবে বাজারে আসা ক্রেতাদের অভিযোগ, উৎসব এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এক ক্রেতা তাসলিমা আক্তার বলেন,
“আগে যে বাজার এক হাজার টাকায় করা যেত, এখন একই জিনিস কিনতে অনেক বেশি টাকা লাগছে।”

এদিকে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে মসলার বাজারে কিছুটা চাপ থাকলেও এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় দাম তুলনামূলক কম বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাজারে চাহিদা কিছুটা কম থাকায় ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত দাম বাড়াতে পারছেন না। তবে সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির পেছনে সরকারের দুর্বল অবস্থান ও ব্যবসায়ীদের প্রভাবকেও দায়ী করেন তিনি।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom