সারাদেশ

ধান কাটার জন্য অনুকূল আবহাওয়া আসছে, কৃষকদের জন্য স্বস্তির বার্তা

অনলাইন ডেস্ক

২০ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


চলতি মৌসুমে কালবৈশাখী ঝড় ও টানা বৃষ্টির কারণে সারা দেশের ধান চাষিদের যে দুর্ভোগ তৈরি হয়েছিল, তার মধ্যেই স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহ আবহাওয়া তুলনামূলক অনুকূলে থাকবে, যা ধান কাটার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করবে।

বিডব্লিউওটির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত সক্রিয় বৃষ্টি বলয়ের কারণে দেশের বেশিরভাগ এলাকায় ধান কাটার কাজ ব্যাহত হয়েছে। তবে ৭ মে থেকে এই বৃষ্টি বলয় সরে যেতে শুরু করবে এবং ৭ থেকে ১৩ মে পর্যন্ত বৃষ্টিপাত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এই সময়টিকে ধান কাটার জন্য চলতি মৌসুমের সবচেয়ে উপযোগী সময় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

যদিও পুরোপুরি শুষ্ক আবহাওয়ার নিশ্চয়তা নেই, তবুও বিচ্ছিন্নভাবে কোথাও কোথাও হালকা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক উন্নত থাকবে।

সংস্থাটি জানায়, উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে ধান ঘরে তোলার সুযোগ সবচেয়ে বেশি থাকবে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বেশিরভাগ এলাকা, পাশাপাশি টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, ভোলা ও পটুয়াখালী জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক কম থাকবে। এসব এলাকায় সাত দিনের মধ্যে একদিনের বেশি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা কম।

অন্যদিকে ঢাকা, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লা ও বরিশালসহ মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে এক থেকে দুই দিন বিক্ষিপ্ত বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা এবং মেহেরপুর ও ঝিনাইদহ এলাকায় তুলনামূলক বেশি বৃষ্টি হতে পারে, যেখানে দুই থেকে তিন দিন বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

কৃষকদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়ে বিডব্লিউওটি বলছে, এই অনুকূল আবহাওয়া দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। ১৪ মে থেকে আবারও বৃষ্টিপাত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এই স্বল্প সময়ের সুযোগ কাজে লাগিয়ে দ্রুত পরিপক্ক ধান কেটে ঘরে তোলার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

সংস্থাটি আরও উল্লেখ করেছে, স্থানীয়ভাবে কিছু এলাকায় পূর্বাভাসের তুলনায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে। তাই ঝুঁকি এড়াতে দেরি না করে এই সময়েই ফসল সংগ্রহ করা কৃষকদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত হবে।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom