সারাদেশ

আইফোন ও টাকার লোভে বন্ধুকে হত্যা, পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক

১৫ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুরে একটি আইফোন ও নগদ টাকার লোভে সিয়াম (১৮) নামের এক কলেজছাত্রকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তারই বন্ধুদের বিরুদ্ধে। নিখোঁজের দুই দিন পর সোমবার (৯ মার্চ) রাত ১১টার দিকে বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের একটি পুকুরের কচুরিপানার নিচ থেকে তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত সিয়াম মুকসুদপুর সরকারি কলেজ-এর এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের লিখন মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদকের টাকা জোগাড় করতেই চার বন্ধু মিলে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। গত শনিবার (৭ মার্চ) অভিযুক্তরা সিয়ামকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়।

হত্যার পর সিয়ামের ব্যবহৃত দামি আইফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয় তারা। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি বাঁশবাড়ীয়া হাসপাতালের পেছনে কাশবনের পাশে একটি পুকুরে কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। পরে ছিনিয়ে নেওয়া আইফোনটি বোয়ালিয়া গ্রামের এক ব্যক্তির কাছে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয় অভিযুক্তরা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ৭ মার্চ থেকে সিয়াম নিখোঁজ ছিল। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে তারা পুলিশকে বিষয়টি জানান। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং সন্দেহভাজন হিসেবে সিয়ামের বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত পারভেজ মুন্সী ও দিদার মুন্সী হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ওই পুকুরে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় দু’দিন ধরে পড়ে থাকা মরদেহ থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকলে স্থানীয়দেরও সন্দেহ হয়। পরে রাত ১১টার দিকে কচুরিপানার নিচ থেকে সিয়ামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মুকসুদপুর থানার এসআই মোবারক হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

 

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom