রাজনীতি

সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী নিয়ে আইনি জটিলতা, আসন হারানোর ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক

৩ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট তাদের প্রার্থীদের তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে। তবে তালিকা জমা দেওয়ার পরপরই জোটের এক প্রার্থীর মনোনয়ন ঘিরে তৈরি হয়েছে আইনি জটিলতা, যা আসন বণ্টনে প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানা গেছে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী প্রজাতন্ত্র বা সংবিধিবদ্ধ কোনো সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ বা অবসরের পর তিন বছর পূর্ণ না হলে কেউ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না। সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রেও এই বিধান প্রযোজ্য।

চাকরি ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন

সূত্র জানায়, জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের মনোনীত প্রার্থী ও এনসিপির (ন্যাশনালিস্ট কনজারভেটিভ পার্টি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন আগে রাষ্ট্রায়ত্ত কৃষি ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। তিনি গত বছরের ডিসেম্বর মাসে চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।

আইন অনুযায়ী, পদত্যাগের পর তিন বছর বা ৩৬ মাস পূর্ণ না হলে তিনি সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য নন। এ কারণে তার মনোনয়ন বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নির্বাচন কমিশনের অবস্থান

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আরপিওর বিধান স্পষ্টভাবে এই যোগ্যতা নির্ধারণ করে দিয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময় পূর্ণ না হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি কমিশন। যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

আসন বণ্টনে প্রভাবের শঙ্কা

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটকে সংরক্ষিত নারী আসনে মোট ১৩টি আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু একজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হলে ওই আসনটি জোটের বরাদ্দ তালিকা থেকে বাদ পড়ে যেতে পারে এবং তা পুনরায় উন্মুক্ত হিসেবে গণ্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, বিষয়টি সমাধান না হলে জোটের আসন বণ্টন কৌশলে পরিবর্তন আসতে পারে।

উপসংহার

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে জোটের ওই আসনের ভবিষ্যৎ। ফলে সংরক্ষিত নারী আসনের এই প্রার্থীকে ঘিরে তৈরি হওয়া আইনি জটিলতা এখন রাজনৈতিক মহলে বাড়তি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom