আইন-আদালত
২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে মতিঝিলের কবি জসীম উদ্দীন রোডের একটি বাসায় ওবায়দুল্লাহকে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ সাত টুকরো করা হয়। নয়াপল্টন, গুলিস্তান, কমলাপুর ও আমিনবাজার সালেহপুর সেতুর নিচে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ফেলে আসেন শাহীন। ২৮ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন জায়গা থেকে যুবকের খণ্ডিত অংশ পাওয়া যায়। এরপর হোটেল কর্মচারী শাহীনকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় শাহীনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২ মার্চ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
মতিঝিলে যুবককে খুন করে লাশ সাত টুকরো: আসামির স্বীকারোক্তি
অনলাইন ডেস্ক

